ট্রাম্প অপসারণে নতুন তৎপরতা

২৫তম সংশোধনী প্রয়োগে কমিশন গঠনের প্রস্তাবে উত্তপ্ত মার্কিন রাজনীতি।
টুইট ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ক্ষমতা থেকে সরানোর প্রশ্নে আবারও সরব হয়েছে ডেমোক্র্যাট শিবির।
সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগ করে তাকে অপসারণের লক্ষ্যে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠনের প্রস্তাব উঠেছে, যা নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে ওয়াশিংটনে।
এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন হাউস জুডিশিয়ারি কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য জেমি রাসকিন।
তার দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের কিছু বক্তব্য ও আচরণ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।
বিশেষ করে ইরান প্রসঙ্গে ‘পুরো সভ্যতা ধ্বংস’ করার হুমকি এবং নিজেকে যিশু খ্রিস্টের সঙ্গে তুলনা করার মতো মন্তব্যকে কেন্দ্র করে প্রেসিডেন্টের মানসিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ডেমোক্র্যাট নেতারা।
প্রস্তাবিত কমিশনে মোট ১৭ সদস্য রাখার কথা বলা হয়েছে। এতে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মনোনীত সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং চিকিৎসক ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
কমিশনের মূল কাজ হবে,প্রেসিডেন্ট তার দায়িত্ব পালনে সক্ষম কি না, তা নির্ধারণ করা।
ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি সাবেক সিআইএ পরিচালক জন ব্রেনান সহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিও ট্রাম্পের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিষয়টি শুধুমাত্র রাজনৈতিক নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট।
তবে বাস্তবতা হলো, রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত হাউসে এই বিল পাস হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ।
এর আগে ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় জো বাইডেনের পারফরম্যান্স ঘিরেও অনুরূপ দাবি উঠেছিল, কিন্তু সেটি শেষ পর্যন্ত কার্যকর হয়নি।
পরবর্তীতে নির্বাচনে ট্রাম্প জয়ী হয়ে আবারও ক্ষমতায় ফিরে আসেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এর রাজনৈতিক বার্তা।
মার্কিন রাজনীতিতে বিভাজন আরও তীব্র হচ্ছে এবং প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত সক্ষমতা এখন বড় বিতর্কের






