জাপান-চীনকে সঙ্গে নিয়েই অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ

টোকিওর সঙ্গে ১ লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা, দুই লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য; বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রেখে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির ওপর গুরুত্ব।
টুইট প্রতিবেদক: জাপান ও চীন—দুই দেশের সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রেখে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও কৌশলগত স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশি কূটনীতিক, সাংবাদিক ও বিশ্লেষক মুশফিকুল ফজল আনসারী।
তাঁর মতে, জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর হওয়া মানেই চীনের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া নয়। বরং বৃহৎ শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার বাইরে থেকে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে উভয় দেশের সহযোগিতা কাজে লাগাতে পারে বাংলাদেশ।
৩১ অক্টোবর হংকংভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট-এ প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে তিনি এ বিশ্লেষণ তুলে ধরেন। ‘বথ জাপান অ্যান্ড চায়না ক্যান হেল্প বাংলাদেশ রিচ ইটস ফুল পটেনশিয়াল’ শীর্ষক নিবন্ধে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন, জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক শিল্পায়ন এবং চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।
টোকিও বৈঠক: অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা
গত ২৭ অক্টোবর জাপানের রাজধানী টোকিওতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্বের ভিত্তিতে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক ‘বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট’ বা বিআইজি-বি উদ্যোগকে নতুনভাবে সাজিয়ে ‘বিআইজি-বি ফর শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ নামে এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে জাপানি বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ১ লাখ কোটি ইয়েন পর্যন্ত পৌঁছানোর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রায় দুই লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।
জাপানি মুদ্রার এই বিনিয়োগের সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ৬ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা বিনিময় হার অনুযায়ী প্রায় ৭৭ হাজার কোটি টাকার বেশি।
তবে এই অর্থকে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করা অর্থ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি আগামী পাঁচ বছরের সম্ভাব্য বেসরকারি বিনিয়োগের পূর্বাভাস। বাস্তবে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কতটা হবে, তা নির্ভর করবে প্রকল্প বাস্তবায়ন, ব্যবসায়িক পরিবেশ এবং বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্তের ওপর।
স্বাধীনতার পর থেকেই জাপানের সহযোগিতা
মুশফিকুল ফজল আনসারী তাঁর নিবন্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই জাপানের সহযোগিতার ঐতিহাসিক ভূমিকা তুলে ধরেছেন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ যখন পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী করার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে, তখন জাপান বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো দেশগুলোর অন্যতম ছিল। পরবর্তী সময়ে সড়ক, সেতু, বন্দর, বিদ্যুৎ ও নগর অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ঢাকার মেট্রোরেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পকে বাংলাদেশ-জাপান সহযোগিতার উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
লেখকের মতে, এসব প্রকল্প কেবল অবকাঠামো নির্মাণের উদাহরণ নয়; বরং বিভিন্ন সরকার ও প্রজন্মের মধ্যেও দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে।
তবে অতীতের বন্ধুত্বকে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক সাফল্যে রূপ দিতে হলে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও কার্যকর পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়, শিল্প উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও সহযোগিতা প্রয়োজন।
বিআইজি-বি: বঙ্গোপসাগর ঘিরে শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন পরিকল্পনা
বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে উঠে এসেছে বিআইজি-বি উদ্যোগ।
নতুন ‘বিআইজি-বি ফর শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ কাঠামোর অধীনে চারটি প্রধান বিষয়ে সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে।
প্রথমত, আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থা ও অবকাঠামো শক্তিশালী করা। দ্বিতীয়ত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি বাড়ানো। তৃতীয়ত, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টি এবং নীতিমালা প্রণয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করা। চতুর্থত, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা বাড়ানো।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করা, যেখানে বাংলাদেশ যোগাযোগ, শিল্প উৎপাদন, জ্বালানি ও বাণিজ্যের সংযোগস্থল হিসেবে ভূমিকা রাখবে।
বিশেষ করে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, মহেশখালী ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলকে কেন্দ্র করে লজিস্টিকস, জ্বালানি এবং উৎপাদনশিল্পের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে দেশটি আঞ্চলিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে ওঠার সুযোগ রাখে।
জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা, সামনে যেসব চ্যালেঞ্জ
জাপানের সম্ভাব্য ১ লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি, উৎপাদনশিল্প এবং সরবরাহব্যবস্থায় বিনিয়োগ বাড়লে নতুন কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে।
জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো উন্নত প্রযুক্তি, আধুনিক ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত সরবরাহব্যবস্থার অভিজ্ঞতা নিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশ দিতে পারে বৃহৎ শ্রমশক্তি, উদ্যোক্তা, উৎপাদন সক্ষমতা এবং ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ বাজার।
তবে এই সম্ভাবনা বাস্তবায়নের পথে কয়েকটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
প্রথমত, বিনিয়োগকারীদের জন্য আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে হবে। দ্বিতীয়ত, কাস্টমস ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া সহজ এবং দ্রুত করতে হবে। তৃতীয়ত, শিল্পকারখানার জন্য নিরবচ্ছিন্ন ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। চতুর্থত, বিনিয়োগসংক্রান্ত নীতিমালায় ধারাবাহিকতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।
একই সঙ্গে দক্ষ জনশক্তি তৈরি, প্রযুক্তিগত শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যকর সংযোগ প্রতিষ্ঠা করাও জরুরি।
লেখকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, জাপানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকাই যথেষ্ট নয়; সেই সম্পর্ককে প্রতিযোগিতামূলক শিল্প ও উৎপাদন সক্ষমতায় রূপান্তর করতে হবে।
চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
নিবন্ধটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য হলো, জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠতা চীনের সঙ্গে সম্পর্কের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা উচিত নয়।
চীন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগী। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, যোগাযোগব্যবস্থা, বিদ্যুৎ, শিল্প ও বাণিজ্যে দেশটির অংশগ্রহণ রয়েছে। অন্যদিকে জাপানও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী এবং বিনিয়োগের গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
মুশফিকুল ফজল আনসারীর মতে, পরিবহন, জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে যে দেশই অর্থায়ন করুক, তার সুফল বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছানোই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচনা।
তাঁর বিশ্লেষণে, বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকলেও বাংলাদেশকে সেই প্রতিযোগিতার অংশ হয়ে পড়ার প্রয়োজন নেই। বরং নিজস্ব অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ বিবেচনায় জাপান, চীনসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্র বাড়াতে হবে।
এর অর্থ হলো, কোনো একটি দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, বাজার ও জ্বালানির উৎস বহুমুখী করা। এতে বাংলাদেশের দর-কষাকষির সক্ষমতা বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনেও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সহজ হবে।
অর্থনৈতিক কূটনীতিতে নতুন বাস্তবতা
বাংলাদেশের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বাস্তব উন্নয়নে রূপ দেওয়া।
একটি দেশের পররাষ্ট্রনীতি শুধু কূটনৈতিক সম্পর্ক বা আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। এর সাফল্য নির্ভর করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নে কতটা অবদান রাখতে পারছে তার ওপর।
এই বিবেচনায় জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আলোচনা অর্থনৈতিক কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে সহযোগিতা বজায় রেখে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন এমন একটি নীতিগত পরিবেশ, যেখানে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আস্থা পাবেন, দেশীয় উদ্যোক্তারা প্রতিযোগিতার সুযোগ পাবেন এবং অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে জাতীয় স্বার্থ সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।
সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়াই মূল পরীক্ষা
মুশফিকুল ফজল আনসারীর নিবন্ধের মূল বক্তব্য হলো, জাপান ও চীন—দুই দেশের সঙ্গেই সম্পর্ক বজায় রেখে বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারে। তবে এ জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, স্বচ্ছ প্রশাসন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং ধারাবাহিক নীতিগত সিদ্ধান্ত।
জাপানের সম্ভাব্য বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্য বাস্তবায়িত হলে তা বাংলাদেশের শিল্পায়ন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একইভাবে চীনের সঙ্গে বিদ্যমান সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে অবকাঠামো ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগও বজায় থাকবে।
সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সামনে এখন কেবল বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রশ্ন নয়; বরং কোন বিনিয়োগ দেশের উৎপাদন সক্ষমতা, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্বার্থকে সবচেয়ে কার্যকরভাবে এগিয়ে নেবে, সেটি নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ।
জাপান ও চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রেখে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থান আরও শক্তিশালী করার সুযোগ পেতে পারে।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টে মুশফিকুল ফজল আনসারীর মতামত নিবন্ধ, ৩১ অক্টোবর ২০২৬; জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ-জাপান যৌথ শীর্ষ বৈঠকের বিবৃতি, ২৭ অক্টোবর ২০২৬।






