উড়োজাহাজ নিয়ে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে লাপিদের অভিযোগ

উড়োজাহাজ নিয়ে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে লাপিদের অভিযোগ

টুইট প্রতিবেদক: দুই পাইলটের সংঘর্ষের ঘটনাকে ইসরায়ে উড়োজাহাজের ককপিটে দুই পাইলটের সংঘর্ষের ঘটনাকে ইসরায়েলের নিরাপত্তা ইস্যুর সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে জড়ানোর অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদসংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি উড়োজাহাজে প্রধান পাইলটকে ছুরিকাঘাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে ‘সস্তা রাজনীতি’র অভিযোগ তুলেছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ।

ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নিরাপত্তাঝুঁকি নিয়ে নেতানিয়াহুর দেওয়া সতর্কবার্তার পর এ বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে। লাপিদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নিরাপত্তাবিষয়ক জরুরি ব্রিফিংয়ের সঙ্গে উড়োজাহাজের ঘটনাটির কোনো সম্পর্ক ছিল না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে লাপিদ বলেন, নেতানিয়াহুর নিরাপত্তাবিষয়ক ব্রিফিংয়ে উড়োজাহাজের ঘটনাটির কোনো আভাসই দেওয়া হয়নি। এমনকি এ ধরনের ঘটনার কাছাকাছি কোনো বিষয় নিয়েও সেখানে আলোচনা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

লাপিদের অভিযোগ, সরকারের মুখপাত্ররা এখন এমন একটি ধারণা তৈরি করার চেষ্টা করছেন যে নেতানিয়াহু ওই ব্রিফিংয়ে উড়োজাহাজে হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। তাঁর মতে, এভাবে ইসরায়েলের নিরাপত্তাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে।

ঘটনার সূত্রপাত ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড১০৭৩ উড়োজাহাজকে ঘিরে। দুবাই থেকে তেল আবিব যাওয়ার পথে উড়োজাহাজটি মাঝ আকাশে জরুরি অবস্থা ও বেআইনি হস্তক্ষেপের সংকেত পাঠায়। পরে গতিপথ পরিবর্তন করে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।

প্রাথমিকভাবে উড়োজাহাজটি ছিনতাই হয়েছে কি না বা অন্য কোনো নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। পরে জানা যায়, ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। এ সময় সহকারী পাইলট প্রধান পাইলটকে ছুরিকাঘাত করেন।

ঘটনার পর উড়োজাহাজটি অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ১৪ হাজার ফুট নিচে নেমে যায়। যাত্রী ও ক্রুরা ককপিটে ঢুকে সহকারী পাইলটকে নিয়ন্ত্রণে নেন। পরে উড়োজাহাজে থাকা অন্য পাইলটরা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সেটিকে নিরাপদে তাবুক বিমানবন্দরে অবতরণ করান।

ঘটনাটি নিয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের তদন্ত চললেও বিরোধী নেতা লাপিদের বক্তব্যে বিষয়টি এখন রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রেও চলে এসেছে। বিশেষ করে নির্বাচন সামনে রেখে নিরাপত্তা ইস্যুতে সরকারের বক্তব্য ও বিরোধীদের পাল্টা অবস্থান নতুন করে আলোচনায় এসেছে।