আল-আকসা নিয়ে ইসরায়েলকে কাতারের সতর্কতা

আল-আকসায় ইসরায়েলি মন্ত্রী-ইহুদি বসতিস্থাপনকারীদের প্রবেশের নিন্দা কাতারের। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ, উত্তেজনা বন্ধে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ও ইহুদি বসতিস্থাপনকারীদের প্রবেশের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কাতার।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দোহায় দেওয়া এক বিবৃতিতে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের ‘স্পষ্ট লঙ্ঘন’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, দখলদার পুলিশের সুরক্ষায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে উসকানি সৃষ্টি করছে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পবিত্র আল-আকসা মসজিদ মুসলমানদের জন্য একটি পবিত্র উপাসনাস্থল। জেরুজালেম ও এর পবিত্র স্থানগুলোর ঐতিহাসিক ও আইনগত বিদ্যমান অবস্থান পরিবর্তনের যেকোনো একতরফা পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে অবৈধ ও অগ্রহণযোগ্য।
বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়, এ ধরনের লঙ্ঘন ও বারবার উসকানি অব্যাহত থাকলে অঞ্চলটিতে সহিংসতা ও উত্তেজনার নতুন চক্র তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে শান্তি ও স্থিতিশীলতার সম্ভাবনাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
কাতার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনি জনগণ ও তাদের পবিত্র স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে চলমান কর্মকাণ্ড বন্ধ এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক বৈধতা-সংক্রান্ত প্রস্তাব মেনে চলতে বাধ্য করার আহ্বান জানিয়েছে।
বিবৃতিতে ফিলিস্তিনের প্রতি কাতারের ‘অটল ও সমর্থনমূলক অবস্থান’ পুনর্ব্যক্ত করা হয়। কাতার বলেছে, দখলদারিত্বের অবসান এবং ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকার প্রতিষ্ঠাই তাদের অবস্থানের ভিত্তি। এর মধ্যে ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।







