সমঝোতা ছাড়াই বাড়ল ইসরায়েল–লেবানন বৈঠক

দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার প্রশ্নে অচলাবস্থা, শুক্রবারও চলবে আলোচনা

টুইট ডেস্ক: দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা আংশিক প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় চলমান ইসরায়েল–লেবানন আলোচনা আরও একদিন বাড়ানো হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) ওয়াশিংটন–এ আবারও বৈঠকে বসবে দুই পক্ষ।

তৃতীয় দিনের আলোচনা শেষে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনো কোনো চুক্তি হয়নি। তবে আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, অচলাবস্থা পুরোপুরি কাটেনি, তবে কয়েকটি বিষয়ে সীমিত অগ্রগতি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র এই দফার বৈঠক থেকে একটি কাঠামোগত সমঝোতা প্রত্যাশা করেছিল। আলোচনায় দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকা থেকে ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ)–এর আংশিক প্রত্যাহার এবং সেখানে লেবানন সশস্ত্র বাহিনী–এর মোতায়েনের প্রস্তাব রয়েছে। পরিকল্পিত এসব এলাকাকে ‘পাইলট জোন’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলি সূত্রের দাবি, এটি পূর্ণাঙ্গ সেনা প্রত্যাহার নয়। বরং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে একটি নির্দিষ্ট নিরাপত্তা বলয় বজায় রেখে ধাপে ধাপে কিছু এলাকা ছাড়ার পরিকল্পনা বিবেচনায় রয়েছে। তাদের বক্তব্য, যেসব এলাকায় হিজবুল্লাহ–এর অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে, সেসব এলাকা নিয়েই আলোচনা এগোচ্ছে।

অন্যদিকে লেবাননের অবস্থান তুলনামূলক বিস্তৃত সেনা প্রত্যাহারের পক্ষে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক কূটনৈতিক সমঝোতা এবং লেবানন ইস্যুতে বহুপক্ষীয় প্রভাবের কারণে আলোচনার পরিবেশ আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

এখন নজর শুক্রবারের বৈঠকের দিকে—সেখানে কোনো কার্যকর অগ্রগতি হয় কি না, সেটিই নির্ধারণ করতে পারে সীমান্ত পরিস্থিতির পরবর্তী দিকনির্দেশনা।