সম্প্রীতির বার্তা দিলেন প্রতিমন্ত্রী

‘সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নয়, সবাই মিলে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ’।

টুইট প্রতিবেদক: কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেছেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু বলে কোনো বিভাজন নেই।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এ দেশের সমান মর্যাদার নাগরিক এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

শুক্রবার বিকেলে কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতীয় ঐক্য ও সামাজিক সম্প্রীতি বাংলাদেশের অন্যতম শক্তি। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সহযোগিতার পরিবেশ বজায় রাখা প্রয়োজন।

সরকারের চলমান জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবারভিত্তিক সহায়তা কর্মসূচি, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

পর্যায়ক্রমে এসব কর্মসূচির সুফল দেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পীযুষ কান্তি ঘোষ। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি জিতেন্দ্র লাল ভৌমিক।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাসসের সাবেক ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মনোজ কান্তি রায়, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শাহ আলম, কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী আরিফ উদ্দিন, বিএনপি নেতা জীবন চন্দ্র দাস, কিশোরগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নারায়ণ দত্ত প্রদীপ এবং সাধারণ সম্পাদক মৃদুল কান্তি মজুমদার।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কুলিয়ারচর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অরূপ রতন দাস বিজয়।

সম্প্রীতি রক্ষায় রাজনৈতিক বার্তার গুরুত্ব

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির প্রশ্নে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ইতিবাচক বার্তা স্থানীয় পর্যায়ে আস্থা ও সহাবস্থান জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সমঅধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলে জাতীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের ভিত্তি শক্তিশালী হবে।