স্কুলফিডিংয়ে কড়াকড়ি নির্দেশনা

পচা বা নিম্নমানের খাবার বিতরণে বিভাগীয় মামলা ও আইনগত ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি।

টুইট ডেস্ক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুলফিডিং কর্মসূচিতে নিম্নমানের বা পচা খাবার বিতরণ ঠেকাতে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

শনিবার মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৩ মে জারি করা অফিস আদেশে বিভিন্ন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পচা বনরুটি, নষ্ট ডিম এবং ছোট ও পচা কলা বিতরণের অভিযোগ উঠে এসেছে।

এতে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হওয়ার পাশাপাশি প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়।

এ পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সরবরাহ করা খাদ্যের মান ও পরিমাণ যাচাই করে গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, খাদ্য গ্রহণ ও বিতরণের আগে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের দেওয়া খাবার নির্ধারিত মান অনুযায়ী আছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে।

নির্ধারিত সময় মেনে খাবার বিতরণ এবং খাদ্যদ্রব্যের ধরন অনুযায়ী যথাযথ সংরক্ষণ ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে।

বনরুটির ক্ষেত্রে তা তাজা, নরম ও সঠিকভাবে মোড়কজাত কি না তা পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে। প্যাকেট অক্ষত থাকতে হবে এবং উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখের পাশাপাশি ১২০ গ্রাম নেট ওজন উল্লেখ থাকতে হবে।

ডিম গ্রহণের ক্ষেত্রে ফাটা, দুর্গন্ধযুক্ত বা পিচ্ছিল ডিম সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কলা হতে হবে দাগ ও পোকামুক্ত; অতিরিক্ত পাকা বা পচা কলা বিতরণ করা যাবে না।

এছাড়া ইউএইচটি দুধ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ বিস্কুটের প্যাকেজিং, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের সময় এবং নেট ওজন যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, নিম্নমানের বা ত্রুটিপূর্ণ খাবার কোনো অবস্থাতেই গ্রহণ করা যাবে না। এ বিষয়ে গাফিলতি, শৈথিল্য বা অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একই সঙ্গে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।