চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের হাতে নয়: নৌমন্ত্রী

টার্মিনাল পরিচালনায় দেশি-বিদেশি অপারেটর; পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে রাষ্ট্রের হাতেই।
টুইট প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম বন্দর কোনো বিদেশি অপারেটরের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা নেই বলে জাতীয় সংসদে স্পষ্ট করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেচট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের হাতে নয়:
নৌমন্ত্রী টার্মিনাল পরিচালনায় দেশি-বিদেশি অপারেটর; পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে রাষ্ট্রের হাতেই ঢাকা, ২২ এপ্রিল ২০২৬: চট্টগ্রাম বন্দর কোনো বিদেশি অপারেটরের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা নেই বলে জাতীয় সংসদে স্পষ্ট করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেন, বন্দর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণেই থাকবে, তবে আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বাড়াতে নির্দিষ্ট টার্মিনাল পরিচালনায় দেশি ও বিদেশি অপারেটর নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বুধবার সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সদস্য শাহাদাত হোসেনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে তিনি বলেন, সরকারি অনুমোদন বা পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারত্ব কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শুধুমাত্র টার্মিনাল পরিচালনার জন্য অপারেটর নিয়োগ করা হয়,এতে মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তরের কোনো বিষয় নেই।
মন্ত্রী আরও জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন টার্মিনালে দেশি-বিদেশি অপারেটর কাজ করছে।
পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে বিদেশি অপারেটর দায়িত্ব পালন করছে এবং লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় ডেনমার্কভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে।
এসব উদ্যোগ দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের গতিশীলতা বাড়াতে সহায়ক হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।
সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও দৈনন্দিন কার্যক্রম বন্দর কর্তৃপক্ষই পরিচালনা করে থাকে। একই অধিবেশনে নৌমন্ত্রী নদী দখল প্রসঙ্গে জানান, সারাদেশে ২১ হাজার ৯৮২ জন অবৈধ দখলদারের তালিকা রয়েছে।
জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে উচ্ছেদযোগ্য তালিকা পেলে দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।
ফেরি বহর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে ৪৭টি ফেরি চলাচল উপযোগী রয়েছে। বহর আধুনিকায়নে ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং ৬টি নতুন ফেরি নির্মাণাধীন, যা আগামী জুনের মধ্যে যুক্ত হবে।
পাশাপাশি পুরোনো ফেরি প্রতিস্থাপনে আরও নতুন ফেরি নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এদিকে পায়রা সমুদ্রবন্দর প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট সড়ক ও সেতু নির্মাণকাজ প্রায় শেষ।
আগামী বছরের শুরুতেই বন্দরটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হওয়ার আশা করা হচ্ছে। সংসদে এদিন স্বাস্থ্য, ধর্ম ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রশ্নোত্তরেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে।
যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে বড় অঙ্কের উন্নয়ন প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন, কওমি শিক্ষার স্বীকৃতি পেলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং মডেল মসজিদের বিদ্যুৎ বিল আংশিকভাবে সরকার বহন করছে,এমন তথ্য জানান সংশ্লিষ্ট মন্তীরা।
বন্দর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণেই থাকবে, তবে আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বাড়াতে নির্দিষ্ট টার্মিনাল পরিচালনায় দেশি ও বিদেশি অপারেটর নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
বুধবার সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সদস্য শাহাদাত হোসেনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে তিনি বলেন, সরকারি অনুমোদন বা পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারত্ব কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শুধুমাত্র টার্মিনাল পরিচালনার জন্য অপারেটর নিয়োগ করা হয়,এতে মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তরের কোনো বিষয় নেই।
মন্ত্রী আরও জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন টার্মিনালে দেশি-বিদেশি অপারেটর কাজ করছে। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে বিদেশি অপারেটর দায়িত্ব পালন করছে এবং লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় ডেনমার্কভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। এসব উদ্যোগ দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের গতিশীলতা বাড়াতে সহায়ক হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও দৈনন্দিন কার্যক্রম বন্দর কর্তৃপক্ষই পরিচালনা করে থাকে।
একই অধিবেশনে নৌমন্ত্রী নদী দখল প্রসঙ্গে জানান, সারাদেশে ২১ হাজার ৯৮২ জন অবৈধ দখলদারের তালিকা রয়েছে। জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে উচ্ছেদযোগ্য তালিকা পেলে দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।
ফেরি বহর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে ৪৭টি ফেরি চলাচল উপযোগী রয়েছে। বহর আধুনিকায়নে ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং ৬টি নতুন ফেরি নির্মাণাধীন, যা আগামী জুনের মধ্যে যুক্ত হবে। পাশাপাশি পুরোনো ফেরি প্রতিস্থাপনে আরও নতুন ফেরি নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে পায়রা সমুদ্রবন্দর প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট সড়ক ও সেতু নির্মাণকাজ প্রায় শেষ। আগামী বছরের শুরুতেই বন্দরটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
সংসদে এদিন স্বাস্থ্য, ধর্ম ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রশ্নোত্তরেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে।
যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে বড় অঙ্কের উন্নয়ন প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন, কওমি শিক্ষার স্বীকৃতি পেলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং মডেল মসজিদের বিদ্যুৎ বিল আংশিকভাবে সরকার বহন করছে,এমন তথ্য জানান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা।






