চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে ১৬টি জ্বালানি জাহাজ, পথে আরও ৩টি

জ্বালানি সরবরাহে স্বস্তি, এলএনজি-এলপিজি খালাস চলছে
টুইট ডেস্ক: মার্চের প্রথম দুই সপ্তাহে এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য পরিশোধিত জ্বালানি নিয়ে মোট ১৬টি জাহাজ এসে পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দর-এ। এতে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পখাতে জ্বালানির স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও তিনটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের প্রথম দশ দিনে কাতার থেকে আসা তিনটি এলএনজিবাহী জাহাজ—‘আল জুর’, ‘আল জাসাসিয়া’ ও ‘লুসাইল’ প্রতিটি প্রায় ৬২ হাজার টন করে এলএনজি খালাস করেছে।
এছাড়া ১২ মার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছানো ‘আল গালায়েল’ জাহাজ থেকে ২৬ হাজার ১৬৫ টন এলএনজি ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটে খালাস করা হচ্ছে।
অন্যদিকে এলপিজিবাহী জাহাজের সংখ্যাই ছিল সবচেয়ে বেশি। মালয়েশিয়া ও ওমান থেকে আসা জাহাজগুলো ইতোমধ্যে মোট ১৯ হাজার ৩১৬ টন এলপিজি খালাস করেছে। আরও কয়েকটি এলপিজি ট্যাঙ্কার থেকে খালাস প্রক্রিয়া চলছে, যা মার্চের মাঝামাঝি শেষ হওয়ার কথা।
এলএনজি ও এলপিজির পাশাপাশি পরিশোধিত জ্বালানি, ফার্নেস অয়েল, গ্যাস অয়েল, ডিজেল ও বেজ অয়েলসহ শিল্পখাতের গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামালও বন্দরে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি এবং চার হাজার টন বেজ অয়েল দেশে এসেছে।
সম্প্রতি হরমুজ প্রণালি অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে জাহাজ চলাচল ও বিমা খরচে প্রভাব পড়ছে। তবে বন্দরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি মাসে জাহাজ চলাচল এখনও স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পখাত এবং গৃহস্থালির জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্নের আশঙ্কা নেই।






