ফিতরা রোজার শুদ্ধি ও ঈদের আনন্দ

সমাজে সমতা ও দরিদ্রদের সুখ নিশ্চিত করে সাদাকাতুল ফিতরা।
টুইট ডেস্ক: রমজান মাসের রোজা শুধুমাত্র ইবাদত নয়; এটি আত্মশুদ্ধি ও নেক আমলের সময়। ফিতরা প্রদান মুসলিমদের জন্য ওয়াজিব এবং এটি দরিদ্রদেরকে ঈদের আনন্দ উপহার দেয়।
চলতি বছর আটা,গম ভিত্তিক ফিতরা সর্বনিম্ন ১১০ টাকা, পনির-খেজুর সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা।
নিয়মিত ফিতরা দেওয়া সমাজে বৈষম্য হ্রাস করে এবং সম্পদের পবিত্রতা রক্ষা করে।
ফিতরা শুধুমাত্র দরিদ্রদের জন্য; মসজিদ বা রাস্তা নির্মাণে ব্যবহার অনুচিত। এটি রোজায় ভুলত্রুটি মাপার পাশাপাশি ধনী-দরিদ্রের মধ্যে সামাজিক সমতা প্রতিষ্ঠা করে।
নিয়মিত ফিতরা প্রদানের মাধ্যমে মুসলিমরা তাদের সম্পদের পবিত্রতা রক্ষা করতে পারে এবং সমাজে সহমর্মিতা ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখতে পারে। পাশাপাশি জাকাত ফরজ করা হয়েছে।
জাকাত ফরজ হওয়ার প্রধান শর্তসমূহ
মুসলমান হওয়া।
প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন এবং স্বাধীন হওয়া।
নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া।
সেই সম্পদ হিজরি এক বছর (পূর্ণ চাঁদের বছর) ধরে
মালিকানায় থাকা (হাওলানুল হাওল)।
প্রয়োজনীয় ঋণ পরিশোধের পরও নিসাব অবশিষ্ট থাকা।
ফিতরা প্রদান সমাজে বৈষম্যহীনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই সব সামর্থ্যবান মুসলিমদের উচিত নিয়ম মেনে নিজের সক্ষমতা অনুযায়ী ফিতরা প্রদান করা।






