প্রতিটি টাকার হিসাব নিশ্চিত করতে বাংলাদেশে ইইউর ৩৯ মাসের প্রকল্প

সরকারি অর্থের জবাবদিহি বাড়াতে বাংলাদেশকে ২০ লাখ ইউরো দিচ্ছে ইইউ। পোল্যান্ডের সুপ্রিম অডিট অফিসের সঙ্গে ৩৯ মাসের যৌথ প্রকল্প; আর্থিক, কর্মসম্পাদন ও তথ্যপ্রযুক্তি নিরীক্ষার সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ।

টুইট ডেস্ক: বাংলাদেশের স্বাধীন সরকারি নিরীক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ২০ লাখ ইউরো (প্রায় ২৬ কোটি টাকা) ব্যয়ে একটি যৌথ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ৩৯ মাস মেয়াদি এ প্রকল্পে অংশীদার হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশের মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (ওসিএজি) এবং পোল্যান্ডের সুপ্রিম অডিট অফিস (এনআইকে)।

‘স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ অব দ্য অফিস অব দ্য কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ অ্যান্ড দ্য সুপ্রিম অডিট অফিস অব পোল্যান্ড’ শীর্ষক প্রকল্পটির লক্ষ্য সরকারি অর্থের ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানো। একই সঙ্গে আর্থিক নিরীক্ষা, কর্মসম্পাদন নিরীক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তি নিরীক্ষায় বাংলাদেশের সক্ষমতা উন্নয়নে কাজ করা হবে।

প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে সহায়তা এবং নিরীক্ষা কার্যক্রমের মান বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি বাংলাদেশের পাবলিক ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট রিফর্ম স্ট্র্যাটেজি ২০২৫–২০৩০-এর লক্ষ্য বাস্তবায়নেও সহায়ক হবে।

প্রকল্পের অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল পোল্যান্ডের সুপ্রিম অডিট অফিস পরিদর্শন করে। এ সফরে দুই দেশের নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়।

ইইউর বক্তব্য অনুযায়ী, সরকারি প্রতিটি টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে নাগরিকদের জন্য কার্যকর ফল বয়ে আনতে স্বাধীন নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

সূত্র: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশ অফিস ও পোল্যান্ডের সুপ্রিম অডিট অফিস (এনআইকে)।