বিশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন, পাল্টা জবাব সিমন্সের

টুউসোমবার (২৬ অক্টোবর) মিরপুরে সংবাদ সম্মষষষষষষ্ট দলের চারপাশের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেন সিমন্স। তিনি জানতে চান, কোনো ম্যাচের আগে এমন পরিস্থিতি কি এই প্রথম দেখা যাচ্ছে?

টুইট প্রতিবেদক: সাংবাদিককে উদ্দেশ করে সিমন্স বলেন, ‘আপনি আমার চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে আছেন। আমার চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে বিশ্ব ক্রিকেট দেখছেন। কোনো ম্যাচের আগে কি এই প্রথম এমন বিশৃঙ্খলা দেখছেন?’

প্রস্তুতিতেই গুরুত্ব কোচের

বাইরের পরিস্থিতির চেয়ে দলের প্রস্তুতি ও নিজেদের দায়িত্ব পালনের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন সিমন্স। তাঁর মতে, গত তিন-চার দিনে দলের সঙ্গে থাকা সদস্যরা ভালোভাবে কাজ করেছেন। এখন পুরো দল একত্র হয়ে আসন্ন সিরিজের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।

সিমন্স বলেন, সিরিজের আগে আগামী দুই দিনে দল কীভাবে প্রস্তুতি নেয়, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাইরে কী ঘটছে, তার চেয়ে দল হিসেবে নিজেদের কাজ ঠিকভাবে সম্পন্ন করাই বড় বিষয়।

কোচের এই বক্তব্যে স্পষ্ট, সাম্প্রতিক বিতর্ক যেন খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি ও মনোযোগে প্রভাব ফেলতে না পারে, সেটিই নিশ্চিত করতে চান তিনি।

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল চোখ

আসন্ন টেস্ট সিরিজ বাংলাদেশের জন্য কেবল আরেকটি দ্বিপক্ষীয় লড়াই নয়। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন পূরণে এই সিরিজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সিমন্স জানিয়েছেন, দলের সদস্যদের মধ্যেও সেই লক্ষ্য অর্জনের আকাঙ্ক্ষা রয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধান কোচ বলেন, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার লক্ষ্য সবার মধ্যেই আছে। এবারই প্রথম বাংলাদেশের সামনে সেই মঞ্চে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাই টেস্ট ম্যাচগুলোর জন্য খেলোয়াড়েরা পুরোপুরি প্রস্তুত থাকবেন বলে তাঁর প্রত্যাশা।

চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশî

সাম্প্রতিক বিতর্ক, কোচিং বিভাগে পরিবর্তন এবং গুরুত্বপূর্ণ সিরিজের চাপ, সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সামনে এখন বড় পরীক্ষা। মাঠের বাইরের আলোচনা সামলে খেলোয়াড়েরা কতটা মনোযোগ ধরে রাখতে পারেন, সেটিও সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

সিমন্স অবশ্য এসব পরিস্থিতির মধ্যেও দলের প্রস্তুতির ওপর আস্থা রাখছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বাইরের ঘটনা নয়, মাঠে নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই হবে বাংলাদেশের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে তাই বাংলাদেশের লক্ষ্য শুধু ভালো ক্রিকেট খেলা নয়; একই সঙ্গে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনাও এগিয়ে নেওয়া।