ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে ইয়ামাল, এমবাপে ও কেইন, আলোচনায় মেসিও

টুইট ডেস্ক : ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের লড়াইয়ে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন লামিন ইয়ামাল, কিলিয়ান এমবাপে ও হ্যারি কেইন। তবে সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে লড়াইয়ে উঠে এসেছে লিওনেল মেসির নামও। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স, দলীয় সাফল্য ও বিশেষজ্ঞদের মতামত ঘিরে জমে উঠেছে এবারের পুরস্কারের হিসাব-নিকাশ।
ফরাসি তথ্য বিশ্লেষণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আভিসিয়ার পূর্বাভাসে ২৩ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে রয়েছেন বার্সেলোনার তরুণ তারকা ইয়ামাল। ২১ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে হ্যারি কেইন। কিলিয়ান এমবাপে ও রদ্রির সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে ১৯ শতাংশ করে। তালিকায় লিওনেল মেসির সম্ভাবনা ১৮ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, গত বছরও তারা ব্যালন ডি’অরের শীর্ষ পাঁচ খেলোয়াড়ের পূর্বাভাস দিয়েছিল। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হিসাবের বাইরে বাজির বাজারে কেইনকে এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
মেসিকে নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য
অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের কোচ দিয়েগো সিমিওনে মনে করেন, মেসি ব্যালন ডি’অর পাওয়ার যোগ্য। বিশ্বকাপের পরও বয়সের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তাঁর পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন তিনি।
ইতালির সাবেক ফুটবলার মার্কো মাতেরাজিও মেসির পক্ষে মত দিয়েছেন। তাঁর মতে, ৩৮ বছর বয়সেও মেসি অন্যদের চেয়ে আলাদা মানের ফুটবল খেলছেন।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার জুড বেলিংহাম সমর্থন জানিয়েছেন জাতীয় দলের সতীর্থ হ্যারি কেইনকে। তাঁর মতে, পরিশ্রম ও ধারাবাহিকতার কারণে কেইনের পুরস্কার জয়ের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
ইয়ামালের প্রশংসা করেছেন ইংল্যান্ডের ফুটবলার অ্যান্থনি গর্ডন। অল্প বয়সে ইয়ামালের অর্জন ও খেলার মানকে অসাধারণ বলে উল্লেখ করেন তিনি। এমবাপের পাশে দাঁড়িয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের সতীর্থ অরেলিয়েঁ চুয়ামেনি। তাঁর মতে, ফরাসি ফরোয়ার্ডের মৌসুম ছিল অবিশ্বাস্য।
পরিসংখ্যান ও দলীয় সাফল্যের হিসাব
ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানের দিক থেকে এমবাপে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লা লিগায় ২৫ গোল ও চ্যাম্পিয়নস লিগে ১৫ গোল করে নজর কেড়েছেন তিনি। বিশ্বকাপেও তাঁর গোলসংক্রান্ত অর্জন আলোচনায় রয়েছে।
হ্যারি কেইনের পক্ষেও রয়েছে বড় গোলসংখ্যার হিসাব। প্রতিবেদনে তাঁর গত মৌসুমে ৭৩ গোল করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে বুন্দেসলিগা জেতায় দলীয় সাফল্যের দিক থেকেও তিনি এগিয়ে।
তবে ইয়ামালের শক্তি দলীয় শিরোপা। ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানে মৌসুমজুড়ে চোটের প্রভাব থাকলেও স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ এবং বার্সেলোনার হয়ে লা লিগা জয়ের বিষয়টি তাঁর সম্ভাবনাকে জোরালো করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ব্যালন ডি’অর জয়ের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের পাশাপাশি বড় প্রতিযোগিতায় দলীয় সাফল্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সেই বিবেচনায় ইয়ামাল, এমবাপে ও কেইনের মধ্যে শেষ পর্যন্ত কে এগিয়ে থাকবেন, তা নিয়ে ফুটবলবিশ্বে চলছে আলোচনা।






