শিশু শিক্ষার্থীকে নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টঙ্গীতে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ; বাবার করা মামলায় কারাগারে অভিযুক্ত
টুইট ডেস্ক: গাজীপুরের টঙ্গীতে সাত বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক মো. মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত মোসলেহ উদ্দিন টঙ্গীর মধ্য আউচপাড়া এলাকার ক্বারীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করার পর তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ অক্টোবর মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকে নিজের কক্ষে যৌন হয়রানি করার অভিযোগ ওঠে মোসলেহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে। বিষয়টি কাউকে না জানাতে শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে বাড়িতে ফিরে শিশুটি পরিবারের কাছে ঘটনা খুলে বলে।
পরদিন ২১ অক্টোবর শিশুটির বাবা মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষকের কাছে ঘটনার জবাব চান। এ সময় বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন মাদ্রাসায় জড়ো হন এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করেন। খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
অভিযুক্ত শিক্ষককে শিশুটির বাবা চড় মারছেন—এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্তে শিশু নির্যাতনের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। গাজীপুরের আদালতে ভুক্তভোগী শিশুটির জবানবন্দিও রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে, শিক্ষকের ওপর হামলা, মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও টাকা লুটের অভিযোগে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও পাল্টা মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।






