পুঠিয়ায় সরকারি রাস্তার ১৪ মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

দুই দফায় প্রায় ৭ লাখ টাকার গাছ উধাও, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনওর
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সরকারি রাস্তার পাশের ১৪টি বড় মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত দেড় মাসে জিউপাড়া ইউনিয়নের দুটি স্থানে এসব গাছ কাটা হয়। গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় সাত লাখ টাকা। তবে এ ঘটনায় এখনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ সেপ্টেম্বর জিউপাড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বারুর মোড় এলাকায় সরকারি পাকা রাস্তার পাশ থেকে ১০টি মেহগনি গাছ কাটা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। গাছগুলোর বয়স ২০ থেকে ২৫ বছর এবং প্রতিটির আনুমানিক মূল্য ৫০ হাজার টাকা।
তবে সরকারি রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মতিউর রহমান। তাঁর দাবি, গাছগুলো তাঁর নিজের জমির এবং তিনিই লাগিয়েছিলেন। স্থানীয় ভূমি অফিস ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা জায়গাটি পরিদর্শন করেছেন বলেও জানান তিনি। কাউকে টাকা দেওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেন এই কাঠ ব্যবসায়ী।
এদিকে গত বুধবার একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ধোপাপাড়া বাজারসংলগ্ন রাস্তার পাশ থেকে আরও চারটি মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় শিক্ষক আবু বাক্কারের বিরুদ্ধে। এসব গাছের আনুমানিক বাজারমূল্য দুই লাখ টাকা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকাশ্যে গাছ কাটার ঘটনা ঘটলেও বন বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি, গাছ কাটার বিষয়ে স্থিরচিত্র ও ভিডিওসহ প্রমাণ রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম।
তিনি জানান, গাছ কাটার দুই স্থানে বন বিভাগের কর্মী পাঠানো হয়েছিল। তবে অসুস্থতা ও ছুটির কারণে এ বিষয়ে তাঁর কাছে হালনাগাদ তথ্য নেই।
পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত সালমান বলেন, গাছ কাটার অভিযোগ পেয়েছেন এবং সর্বশেষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সরকারি জায়গার গাছ কাটা হয়ে থাকলে নিয়মিত মামলা করা হবে বলে জানান তিনি।






