রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষা সম্পন্ন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের অপেক্ষা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পেলেই শুরু হবে পরবর্তী ধাপ; বছরের শেষ দিকে জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রত্যাশা

টুইট ডেস্ক: পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের বি-২ ধাপের পদার্থবৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এখন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে প্রকল্পটি। অনুমোদন পাওয়া গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর প্রস্তুতিমূলক পরবর্তী ধাপে প্রবেশ করবে ইউনিটটি।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাসান জানিয়েছেন, প্রথম ইউনিটের বি-২ ধাপের সব পরীক্ষা ও কার্যক্রম সফলভাবে শেষ হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন ইতোমধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পাওয়ার পর ইউনিটটি সি ধাপে প্রবেশ করবে। এরপর পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে সীমিত পরিসরে উৎপাদন শুরু করে ধাপে ধাপে তা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ২৫ অক্টোবর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদন এবং প্রতিটি ধাপের সফল অগ্রগতির ওপর নির্ভরশীল।

প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, উৎপাদন সক্ষমতা ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশে পৌঁছালে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে। চলতি বছরের শেষ দিকে রূপপুর কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর লক্ষ্য রয়েছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন সক্ষমতা যুক্ত হবে। তবে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের সময়সূচি নির্ভর করবে নিরাপত্তা যাচাই, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন এবং পর্যায়ক্রমিক পরীক্ষার ফলাফলের ওপর।