পাকিস্তানের রাজনৈতিক সংকট: শেহবাজকে কী পরামর্শ দিলেন ফজলুর রহমান

খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা জারির মতো পদক্ষেপ এড়িয়ে সংলাপের মাধ্যমে সংকট সমাধানের পরামর্শ; বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি নেই।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জমিয়ত উলামায়ে ইসলাম–ফজল (জেইউআই-এফ)-এর আমির মাওলানা ফজলুর রহমান।

শনিবার (১০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দেশের জাতীয় ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি, কেন্দ্রীয় সরকার ও খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রাদেশিক সরকারের মধ্যকার উত্তেজনা এবং চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ টেলিফোনে মাওলানা ফজলুর রহমানকে উমরাহ পালন করে ফেরার জন্য অভিনন্দন জানান এবং প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে সাক্ষাতের আমন্ত্রণ জানান। মাওলানা ফজলুর রহমান সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকার ও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মাওলানা ফজলুর রহমান সরকারকে সংলাপের মাধ্যমে সংকট সমাধানের সুযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে কেপিতে জরুরি অবস্থা জারির মতো কঠোর পদক্ষেপ এড়িয়ে চলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি বলে সূত্রের দাবি।

জেইউআই-এফের প্রতিনিধি দলে মাওলানা ফজলুর রহমানের সঙ্গে সিনেটর মাওলানা আতাউল হক দরবেশ, মাওলানা লুতফুর রহমান এবং সিনেটর কামরান মুরতাজা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের আগে বিষয়টি পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতৃত্বকে জানানো হয়েছিল বলে জেইউআই-এফের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন।

পাকিস্তানের চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনা ও পিটিআইয়ের লং মার্চের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও দুই নেতার মধ্যে মতবিনিময় হয়।

বৈঠক শেষে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। ফলে আলোচনার সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত, কেন্দ্র ও কেপি সরকারের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে সম্ভাব্য উদ্যোগ কিংবা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।