৫১তম বিসিএসের নম্বর বণ্টন ও পরীক্ষা পদ্ধতি

চিকিৎসকদের বিশেষ বিসিএসে লিখিত পরীক্ষায় ২০০ ও মৌখিক পরীক্ষায় ১০০ নম্বর; ভুল উত্তরে কাটা যাবে অর্ধেক নম্বর

টুইট প্রতিবেদক:চিকিৎসকদের নিয়োগের জন্য আয়োজিত ৫১তম বিশেষ বিসিএসের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ বিসিএসের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। ১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া আবেদনের পাশাপাশি পরীক্ষার পাঠ্যসূচিও প্রকাশ করা হয়েছে।

৫১তম বিশেষ বিসিএসে মোট ৩০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে লিখিত পরীক্ষা হবে ২০০ নম্বরের এবং মৌখিক পরীক্ষা ১০০ নম্বরের।

লিখিত পরীক্ষায় ২০০ নম্বর
লিখিত পরীক্ষা হবে বহুনির্বাচনী পদ্ধতিতে। এতে মোট ২০০টি প্রশ্ন থাকবে এবং পরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা।

বিষয়ভিত্তিক নম্বর বণ্টন হলো,বাংলায় ২০, ইংরেজিতে ২০, বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে ২০, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ২০, মানসিক দক্ষতায় ১০ এবং গাণিতিক যুক্তিতে ১০ নম্বর।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট ক্যাডার এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পদের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়ে থাকবে ১০০ নম্বর। অর্থাৎ, মোট ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অর্ধেক নম্বরই থাকবে সংশ্লিষ্ট বিষয়ভিত্তিক অংশে।

প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য প্রার্থী পাবেন ১ নম্বর। তবে ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত মোট নম্বর থেকে শূন্য দশমিক ৫ নম্বর কেটে নেওয়া হবে।কোথায় হবে পরীক্ষা
৫১তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় প্রয়োজন হলে ঢাকার বাইরেও পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে।

মৌখিক পরীক্ষায় ১০০ নম্বর
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। মৌখিক পরীক্ষার পূর্ণ নম্বর ১০০ এবং পাস নম্বর ৫০।

মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের কার্যালয়ে। এর ঠিকানা,আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা–১২০৭।

চিকিৎসকদের বিশেষ নিয়োগের উদ্দেশ্যে আয়োজিত এই বিসিএসে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে আবেদনকারী প্রার্থীদের সাধারণ বিষয়গুলোর পাশাপাশি নিজ নিজ পেশাগত বিষয়ের প্রস্তুতিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।