তাড়াশে সার ডিলার নিয়োগে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ

২৭ প্রত্যাশীর কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার দাবি, চূড়ান্ত লাইসেন্সে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেনের অভিযোগ
টুইট ডেস্ক: সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে প্রায় দুই কোটি টাকার অনৈতিক বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার জন্য ৯ জন ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক নেতাদের একটি অংশ অর্থ আদায় করছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহলের অনেকে।
জানা গেছে, প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা থেকে ক্রমানুসারে তিনজন করে সম্ভাব্য ডিলারের নামের তালিকা করা হচ্ছে। পরে এসব তালিকা সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হকের কাছে পাঠানো হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রাথমিক তালিকা তৈরির সময় উপজেলার ২৭ জন ডিলারপ্রত্যাশীর কাছ থেকে গড়ে এক থেকে দেড় লাখ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে এ অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি জানান, প্রাথমিক তালিকায় নাম ওঠানোর পরও ডিলার নিয়োগের চূড়ান্ত পর্যায়ে বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনের আশঙ্কা রয়েছে। তাদের দাবি, প্রতিটি ডিলারকে লাইসেন্স পেতে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত দিতে হতে পারে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি প্রশাসনের কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধেও অর্থ লেনদেনে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কৃষকদের জন্য নির্ধারিত সার সরবরাহের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেন হলে এর প্রভাব সরাসরি কৃষকদের ওপর পড়তে পারে। তাই ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন তারা।






