বারবার ছাড়েও কমছে না খেলাপি ঋণ, বাড়ছে ব্যাংকের ঝুঁকি

পুনঃতফসিলে সাময়িক স্বস্তি, বাড়ছে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি—হাজার কোটি টাকার ঋণে ১৫ বছর সময়।
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে খেলাপি ঋণ ও পুনঃতফসিল করা ঋণ—দুটিই বাড়ছে। ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ দেওয়ার সময় বরাবরই বলা হয়েছে, এতে ব্যাংকের আটকে থাকা টাকা ফেরত আসবে, সমস্যায় পড়া ব্যবসা ঘুরে দাঁড়াবে এবং খেলাপি ঋণ কমবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। ব্যাংকের খাতায় খেলাপি ঋণ সাময়িকভাবে কমলেও সেই অনুপাতে আদায় বাড়ছে না। বরং পুনঃতফসিল করা ঋণের বড় অংশই আবার খেলাপি হয়ে যাচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে পুরোনো প্রশ্নই আবার সামনে এসেছে—ঢালাওভাবে ঋণখেলাপিদের ছাড় দিয়ে কি ব্যাংক খাতের সংকটের সমাধান সম্ভব, নাকি এতে কিছু ঋণগ্রহীতা শুধু বাড়তি সময় পাচ্ছেন এবং সমস্যাটি ভবিষ্যতের জন্য আরও বড় হয়ে জমা হচ্ছে?
হাজার কোটি টাকার ঋণে ১৫ বছর
বাংলাদেশ ব্যাংক গত ৩১ আগস্ট খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের সুবিধা আরও বাড়িয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো প্রতিষ্ঠান বা শিল্পগোষ্ঠীর ঋণস্থিতি এক হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি হলে দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১৫ বছরে ঋণ পরিশোধ করা যাবে। আগে এ সময়সীমা ছিল ১০ বছর।
এই সুবিধার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। প্রয়োজনীয় কিস্তি বা ডাউন পেমেন্টের শর্ত পূরণ করে ব্যাংকগুলোকে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি করতে হবে। ২০২৫ সালের নীতিসহায়তা বা বাংলাদেশ ব্যাংকের বাছাই কমিটির মাধ্যমে যারা আগে সুবিধা পেয়েছেন, তারাও আবার আবেদন করতে পারবেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাখ্যা, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, জ্বালানিসংকট, বাজারভিত্তিক সুদহারের কারণে ঋণের ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং ব্যবসার গতি কমে যাওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা কমেছে। খেলাপি ঋণ কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১৮ মাসের পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই নতুন সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
এক বছরের কম সময়ে বারবার ছাড়
বিশেষ নীতিসহায়তার ধারাবাহিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্টে, দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১০ বছরে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হয়। এরপর ২৪ নভেম্বর সুবিধার আওতা বাড়ানো হয়।
২০২৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ডাউন পেমেন্ট দেওয়ার নিয়ম আরও সহজ করা হয়। আবেদনের সময় নির্ধারিত ডাউন পেমেন্টের অর্ধেক এবং পরবর্তী ছয় মাসে বাকি অর্ধেক দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়। এরপর ৭ মে আবেদনের সময়সীমা বাড়িয়ে ৩০ জুন করা হয়। সর্বশেষ ৩১ আগস্ট তা আবার বাড়িয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে।
অর্থাৎ এক বছরেরও কম সময়ে কখনো সুবিধার আওতা, কখনো ডাউন পেমেন্ট, কখনো আবেদনের সময়সীমা, আবার কখনো ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এতে প্রশ্ন উঠছে—এটিই কি শেষ সুযোগ, নাকি কয়েক মাস পর আবার নতুন কোনো সুবিধা আসবে?
ছাড়ের আশায় কিস্তি বন্ধের ঝুঁকি
বারবার ছাড়ের ফলে ঋণগ্রহীতাদের একটি অংশের মধ্যে আরও সুবিধা পাওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হতে পারে। কেউ কেউ নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ না করে পরবর্তী সুবিধার অপেক্ষায় থাকতে পারেন। এতে সময়মতো ঋণ পরিশোধের অভ্যাস দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
যাদের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা রয়েছে, তারাও যদি ভবিষ্যতে আরও সুবিধা পাওয়ার আশায় কিস্তি দেওয়া বন্ধ করেন, তাহলে নিয়মিত ঋণ পরিশোধের চেয়ে খেলাপি হয়ে অপেক্ষা করাই বেশি লাভজনক মনে হতে পারে। অতীতের অভিজ্ঞতাতেও এমন প্রবণতা দেখা গেছে।
বড় ঋণগ্রহীতাদের জন্য বড় সুবিধা
বর্তমান নীতিতে বড় ঋণগ্রহীতারাই তুলনামূলক বেশি সুবিধা পাচ্ছেন। শুধু ঋণের পরিমাণ বেশি হওয়ার কারণে বেশি সময় ও সুবিধা দেওয়ার ফলে ন্যায্যতার প্রশ্নও উঠছে।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা সামান্য ঋণ খেলাপি হলেই ব্যাংকের স্বাভাবিক সুবিধা হারান। বিপরীতে বড় ঋণগ্রহীতারা পাচ্ছেন দীর্ঘ সময়। ফলে নিয়মিত ঋণ পরিশোধের পরিবর্তে বড় খেলাপি হওয়াই কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেশি সুবিধাজনক হয়ে উঠতে পারে।
প্রতি তিন টাকায় এক টাকা খেলাপি
এমন সময়ে নতুন সুবিধা দেওয়া হয়েছে, যখন দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, ২০২৬ সালের জুন শেষে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার ২৮৪ কোটি টাকা। এটি মোট বিতরণ করা ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাংকগুলো যে প্রায় প্রতি তিন টাকা ঋণ বিতরণ করেছে, তার মধ্যে এক টাকাই এখন খেলাপি।
গত দুই বছরে খেলাপি ঋণ দ্রুত বাড়ার একটি কারণ হলো পুরোনো ঋণের প্রকৃত অবস্থা সামনে আসা। রাজনৈতিক প্রভাব, আদালতের স্থগিতাদেশ, পুনঃতফসিল, বিশেষ ছাড় ও ভুল শ্রেণীকরণের কারণে দীর্ঘদিন অনেক মন্দ ঋণ খেলাপি হিসেবে দেখানো হয়নি। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ব্যাংকগুলোর ঋণ পর্যালোচনা ও নিরীক্ষায় এসব ঋণের একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে।
পুনঃতফসিল করেও আবার খেলাপি
পুনঃতফসিল করলেই যে সমস্যার সমাধান হচ্ছে না, তার প্রমাণ পাওয়া যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদনেও। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে পুনঃতফসিল করা ঋণের স্থিতি ছিল প্রায় ৩ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা, অর্থাৎ ৩৮ দশমিক ৪২ শতাংশ, আবার খেলাপি হয়ে গেছে। অর্থাৎ পুনঃতফসিল করা প্রতি পাঁচটি ঋণের প্রায় দুটি আবার খারাপ হয়েছে।
২০২০ সালে পুনঃতফসিল করা ঋণের মধ্যে খেলাপি হওয়ার হার ছিল ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ। চার বছরের ব্যবধানে তা ৩৮ শতাংশ ছাড়িয়েছে। অর্থাৎ ঋণ পরিশোধের সময় বাড়িয়েও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।
সাম্প্রতিক হিসাবেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের পর ডিসেম্বর শেষে তা কমে ৫ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকায় নামে। কিন্তু ২০২৬ সালের জুনে আবার তা ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়।
ছাড়ের ইতিহাস দীর্ঘ
বাংলাদেশে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। ১৯৯১ সালে প্রথমবারের মতো সুদ মওকুফ ও সহজ কিস্তিতে খেলাপিদের ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ দেওয়া হয়। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক তুলনামূলক কঠোর অবস্থান নেয় এবং কিস্তি বা ডাউন পেমেন্টের পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি পুনঃতফসিল করা ঋণগ্রহীতাদের নির্দিষ্ট সময় নতুন ঋণ নেওয়ার সুযোগ বন্ধ রাখা হয়।
২০০৯ সালের পর নিয়ম শিথিলের ধারা আবার শুরু হয়। ২০১২ সালে সর্বোচ্চ তিনবার ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ দেওয়া হয়। ২০১৫ সালে বড় ঋণগ্রহীতাদের জন্য বিশেষ পুনর্গঠন কর্মসূচির আওতায় ১১টি বড় শিল্পগোষ্ঠীর প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠন করা হয়। তবে সুবিধাভোগীদের অধিকাংশই প্রথম কিস্তি সময়মতো দেয়নি।
২০১৯ সালে মাত্র ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে সর্বোচ্চ ১০ বছরে ঋণ পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হয়। পরে করোনাকালে নিয়ম আরও শিথিল হয়। ২০২২ সালে সর্বোচ্চ চারবার ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ দেওয়া হয়। বড় ঋণগ্রহীতাদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুবিধা মিলিয়ে ঋণ পরিশোধের মেয়াদ ২৯ বছর পর্যন্ত নেওয়ার সুযোগও তৈরি হয়।
প্রতিবারই বলা হয়েছে, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ও টেকসই ব্যবসা রক্ষার জন্য এসব সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত, ইচ্ছাকৃত খেলাপি এবং প্রভাবশালী ঋণগ্রহীতাকে আলাদা করার কার্যকর ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ফলে সাময়িক সহায়তা ধীরে ধীরে নিয়মিত ছাড়ে পরিণত হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যদের অভিজ্ঞতা
দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ঋণ পুনর্গঠনের সুযোগ থাকলেও সেখানে ঋণগ্রহীতার পরিশোধের রেকর্ড, ব্যবসার সক্ষমতা এবং পুনরুদ্ধার পরিকল্পনার ওপর তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
নেপালে ছয় মাস নিয়মিত কিস্তি দিলেই খেলাপি ঋণ সরাসরি নিয়মিত হয় না; আরও ছয় মাস তা ‘ওয়াচ লিস্টে’ থাকে। শ্রীলঙ্কায় সংকটে পড়া ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ভারতে পুনর্গঠনের আগে সংকটটি সাময়িক কি না, ব্যবসা টিকবে কি না এবং পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত কি না—এসব যাচাই করা হয়। পাকিস্তানেও পুনঃতফসিলের পর নির্দিষ্ট সময় নতুন শর্ত মেনে চলতে হয় এবং বকেয়ার একটি অংশ পরিশোধ করতে হয়।
কঠোর ব্যবস্থায় অন্য দেশের সাফল্য
খেলাপি ঋণ দ্রুত নিষ্পত্তির একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ দক্ষিণ কোরিয়া। ১৯৯৭ সালের এশীয় আর্থিক সংকটের পর দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ব্যাংকের খেলাপি ঋণ কিনে নেয়। টিকে থাকার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠন করা হয় এবং অন্যগুলোর সম্পদ বিক্রি করে ঋণ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
চীনে আদালতের নির্দেশে ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের ভ্রমণ ও নতুন ঋণ পাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাংককে দ্রুত খেলাপি ঋণের ক্ষতি স্বীকার করে ব্যবস্থা নিতে হয়। ইউরোপে খেলাপি ঋণ যত পুরোনো হয়, তার বিপরীতে তত বেশি সঞ্চিতি রাখতে হয়। ভারতে বন্ধকি সম্পদ দখল ও বিক্রি এবং বড় করপোরেট ঋণ দেউলিয়া আইনের মাধ্যমে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রয়েছে।
সময় বাড়ালেই সমাধান নয়
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে মূল চ্যালেঞ্জ শুধু ঋণের মেয়াদ বাড়ানো নয়; বরং কোন ঋণগ্রহীতা সত্যিকার অর্থে সংকটে পড়েছেন আর কে ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধ করছেন না—তা নির্ধারণ করা।
সুবিধা পাওয়ার পর ব্যবসা বাস্তবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে কি না, নিয়মিত কিস্তি দেওয়া হচ্ছে কি না এবং ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা তৈরি হয়েছে কি না—এসব বিষয়ে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। শুধু কাগজে ঋণ নিয়মিত দেখিয়ে কিংবা সময় বাড়িয়ে ব্যাংক খাতের মূল সমস্যা দূর করা সম্ভব নয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরীর মতে, অতীতের মতো নতুন সুবিধার অপব্যবহার ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যকর তদারকি প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকারও থাকতে হবে। লক্ষ্যভিত্তিক ঋণ নবায়নের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা যদি অর্থনীতির গতি বাড়াতে পারেন, সেটি ইতিবাচক হতে পারে।
দেশে বিনিয়োগে মন্দা চলছে। বড় ঋণখেলাপিদের বারবার সুবিধা দেওয়াকে কেউ কেউ বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মরিয়া প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। কিন্তু জ্বালানিসংকট, ব্যবসার পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ছাড়া শুধু ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ দিয়ে বিনিয়োগ বাড়ানো কঠিন।
ব্যাংক খাতের স্থায়ী সমাধানে প্রয়োজন লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা, কঠোর তদারকি, দায়বদ্ধতা, দ্রুত আদায় এবং ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা। কারণ, বারবার সময় বাড়ালে ঋণের কাগজ হয়তো কিছুদিনের জন্য পরিষ্কার দেখা যেতে পারে; কিন্তু টাকা ব্যাংকে না ফিরলে সংকট থেকেই যায়।






