হিমবাহধসের পর এবার ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল তিব্বত

নতুন করে প্রাকৃতিক দুর্যোগের শঙ্কা, হ্রদের বাঁধ ভেঙে বন্যার আশঙ্কায় চীনের সতর্কতা
টুইট ডেস্ক: ভয়াবহ হিমবাহধস ও আকস্মিক বন্যার পর এবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে তিব্বত। উত্তর তিব্বতে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫। এরই মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে পানি আটকে সৃষ্ট হ্রদের বাঁধ ভেঙে বন্যার আশঙ্কায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে চীন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় সময় মধ্যরাতে উত্তর তিব্বতে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। জার্মান ভূতাত্ত্বিক গবেষণা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।
ভূমিকম্পটির কেন্দ্র বুধবার ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নেপাল ও চীনের বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক শ মাইল উত্তরে অবস্থিত বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে বুধবার তিব্বতের নাগকু এলাকায় ৪ দশমিক ৭ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। চীনের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্যের বরাতে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া এ তথ্য জানিয়েছে।
হ্রদের বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা
ভূমিকম্পের পাশাপাশি তিব্বতের কয়েকটি এলাকায় বন্যার ঝুঁকিও বাড়ছে। প্রাকৃতিকভাবে পানি আটকে সৃষ্ট একটি হ্রদের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় চীন চতুর্থ স্তরের বন্যা মোকাবিলা ব্যবস্থা চালু করেছে।
চীনের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে হ্রদের পানির উচ্চতা ও সংশ্লিষ্ট এলাকার বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে। পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে একটি বিশেষজ্ঞ দল গিরং কাউন্টিতে পাঠানো হয়েছে।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে হিমবাহধসের পর আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যেই তিব্বতে নতুন করে ভূমিকম্প এবং প্রাকৃতিক হ্রদের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে চীনা কর্তৃপক্ষ।
পরপর একাধিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে অঞ্চলটির বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টিপাত, নদীর পানির প্রবাহ ও প্রাকৃতিক হ্রদগুলোর পরিস্থিতির ওপর নজরদারি আরও জোরদার করেছে চীন।






