ধানমন্ডি ৩২ ভাঙচুর: ড. ইউনূস-হাসনাতসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

টুইট ডেস্ক: সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি ৩২-এর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাসভবন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত বাদীপক্ষের জবানবন্দি গ্রহণ ও নথি পর্যালোচনা শেষে মামলার আবেদনটি খারিজ করে দেন। আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা (৪৪) নামে এক নারী আদালতে মামলাটি দায়েরের আবেদন করেন। আবেদনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস, হাসনাত আব্দুল্লাহ, ড. আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা হাসান, নাহিদ ইসলাম, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, শফিকুল আলম, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মাহফুজ আলম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, আক্তার হোসেন, সার্জিস আলম, আব্দুল হান্নান মাসুদ, সামান্তা শারমিন, ডা. তাসনিম জারাসহ ২৭ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার আবেদনে অভিযোগ করা হয়, ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট আসামিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদ, উসকানি ও সহযোগিতায় কয়েক হাজার ব্যক্তি ধানমন্ডি ৩২-এর ঐতিহাসিক ভবনে হামলা চালান। হামলাকারীরা লাঠিসোঁটা, হাতুড়ি ও দাহ্য পদার্থ নিয়ে ভবনে প্রবেশ করে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন বলেও অভিযোগ করা হয়।
আবেদনে আরও দাবি করা হয়, পরবর্তী সময়ে বুলডোজার, এক্সকাভেটর ও ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ভবনটি ভেঙে ফেলা হয়। এতে ঐতিহাসিক নিদর্শন, দলিল, মুক্তিযুদ্ধের নথি, বই-পুস্তকসহ বিভিন্ন মূল্যবান সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি ও লুটের অভিযোগ আনা হয়।
এ ছাড়া মামলার আবেদনে হাসনাত আব্দুল্লাহর একটি ফেসবুক পোস্টের বিষয় উল্লেখ করে দাবি করা হয়, ওই পোস্টের পর ধানমন্ডি ৩২-এ হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভবন ধ্বংসের ঘটনা ঘটে।
বাদীপক্ষ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছিলেন।
তবে আদালত নথি পর্যালোচনা ও বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে মামলার আবেদনটি খারিজ করে দেন।






