রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে জোর আলোচনা, শীর্ষে মির্জা ফখরুলের নাম

উপশরাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যে সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ দেশে ফিরছেন স্পিকার; নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা
টুইট ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের গুঞ্জনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, তিনি শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন। এ পরিস্থিতিতে বিদেশ সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ শুক্রবার দেশে ফিরছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, যা জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে।
তবে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির কার্যালয় কিংবা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়ে চার নেতার নাম আলোচনায়
রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বিএনপির চার জ্যেষ্ঠ নেতা-মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান এবং নজরুল ইসলাম খানের নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচনায় রয়েছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা ও দীর্ঘ সাংগঠনিক ভূমিকার কারণে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রের দাবি।
সংবিধান কী বলছে
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র দিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
স্পিকারের সফর সংক্ষিপ্ত
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসার জন্য গত ১৯ জুলাই ব্যাংকক সফরে যাওয়া স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের আগামী ২৬ জুলাই দেশে ফেরার কথা থাকলেও সফর সংক্ষিপ্ত করে তিনি আজ শুক্রবার দুপুরে ঢাকায় ফিরছেন।
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই
রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ এবং নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চললেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি বা সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে বিষয়টি এখনো জল্পনা ও সূত্রভিত্তিক তথ্যের পর্যায়েই রয়েছে।






