হামিরকুৎসায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় শামসুর রহমান মৃধা

জনসেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিতে ভোটারদের আগ্রহের কেন্দ্রে সম্ভাব্য প্রার্থী

টুইট ডেস্ক: ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ১৪ নম্বর হামিরকুৎসা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী মো. শামসুর রহমান মৃধাকে নিয়ে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা এই সমাজসেবক ও দলিল লেখককে ঘিরে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ইতিবাচক মতামত লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে তিনি সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও মানবিক উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। ফলে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি একজন পরিচিত ও আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে মো. শামসুর রহমান মৃধা বলেন, “মানুষের কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্য নিয়েই আমি দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের পাশে আছি। জনগণ আমাকে নির্বাচিত করলে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করব। দল-মত নির্বিশেষে সকলকে সঙ্গে নিয়ে একটি আধুনিক, উন্নত ও মানবিক ইউনিয়ন গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।”

ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একজন সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব প্রতিনিধি হিসেবে অনেকেই শামসুর রহমান মৃধাকে মূল্যায়ন করছেন।

এক ভোটার বলেন, “তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে জনকল্যাণকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তাই আমরা তাকে নেতৃত্বে দেখতে আগ্রহী।”

অপর এক ভোটার বলেন, “সাধারণ মানুষের কথা তিনি মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করেন। নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আমাদের বিশ্বাস।”

স্থানীয়দের মতে, হামিরকুৎসা ইউনিয়নের টেকসই উন্নয়ন, জনসেবার মান বৃদ্ধি এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে গ্রহণযোগ্য ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের প্রয়োজন রয়েছে। সেই বিবেচনায় মো. শামসুর রহমান মৃধার সম্ভাব্য প্রার্থিতা ইতোমধ্যে ভোটারদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

আসন্ন নির্বাচনে ইউনিয়নবাসীর দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করে মো. শামসুর রহমান মৃধা বলেন, “জনগণ আমাকে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিলে তাদের প্রত্যাশা পূরণ এবং ইউনিয়নের উন্নয়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করব, ইনশাআল্লাহ।”