দাফন শেষে ফেরার পথেই মৃত্যু

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা, গুরুতর আহত স্ত্রী।
টুইট প্রতিবেদক: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় শাশুড়িকে দাফন শেষে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আব্দুস সামাদ নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের শোকের মধ্যেই এই আকস্মিক দুর্ঘটনা এলাকায় গভীর বেদনার সৃষ্টি করেছে।
বুধবার রাত প্রায় ৯টার দিকে উপজেলার মীরডাঙ্গী টেকিয়া মহেশপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুস সামাদ পার্শ্ববর্তী বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার গাণ্ডিগাড়ি গ্রামের মৃত কলিম উদ্দিনের ছেলে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, রাণীশংকৈল উপজেলার জওগাঁও গ্রামে শাশুড়ির দাফন সম্পন্ন করে পরিবারের সদস্যরা পৃথক মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে মীরডাঙ্গী টেকিয়া মহেশপুর এলাকায় রাস্তার ওপর একটি ট্রাক্টর দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় পেছন দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল আব্দুস সামাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
নিহতের ভাই আব্দুল কাদের জানান, তিন ভাই আলাদা মোটরসাইকেলে একসঙ্গে ফিরছিলেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় আব্দুস সামাদকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু পথেই তার মৃত্যু হয়।
একই মোটরসাইকেলে থাকা তার স্ত্রী মর্জিনা বেগমও গুরুতর আহত হন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুরে স্থানান্তর করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতে মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে অনেক সময় সতর্কতামূলক সংকেত ছাড়াই ট্রাক্টর বা ভারী যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
বিশেষ করে গ্রামীণ সড়কে আলোকস্বল্পতা এবং যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল প্রাণহানির অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে।
রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমানুল্লাহ আল বারী জানান, নিহতের মরদেহ হাসপাতালের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হলে মামলা নেওয়া হবে, অন্যথায় সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।






