প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় আশার আলো

হাম ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত যমজ শিশু হাসান-হোসেনের চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন তারেক রহমান।
টুইট প্রতিবেদক: হাম আক্রান্ত হয়ে নিউমোনিয়ায় গুরুতর অসুস্থ দুই বছর বয়সী যমজ শিশু হাসান ও হোসেনের চিকিৎসা ও সার্বিক সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশু দুটির বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে দ্রুত সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বুধবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল হাসপাতালে গিয়ে শিশুদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা এবং পুষ্টিকর খাদ্যসামগ্রী পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে ডা. বিটু হাসান-হোসেনসহ চিকিৎসাধীন অন্যান্য শিশুদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, যমজ দুই শিশুর শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকে সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে তারা এখনো পুষ্টিহীনতায় ভুগছে এবং সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
এ সময় হাসপাতালের পরিচালক ডা. মেজবাহুর রহমান, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামীম ইবনে হালিম, ডা. মো. জহিরুল ইসলাম জহির, ডা. হাসিবুল হাসান ও ডা. মো. হাফিজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, শিশু দুটির বাবা পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। তাদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার একটি প্রত্যন্ত এলাকায়। সীমিত সামর্থ্যের এই পরিবার দীর্ঘদিন ধরে শিশু দুটির চিকিৎসা ব্যয় বহনে হিমশিম খাচ্ছিল।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম এখনো শিশুদের জন্য বড় ঝুঁকি হিসেবে রয়ে গেছে। সময়মতো টিকা গ্রহণ এবং পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা না গেলে জটিলতা বাড়তে পারে। তাই শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তারা।






