মানবিকতা ও ধৈর্যের পাঠ মায়ের কাছ থেকেই পেয়েছেন সাদিয়া

নিজেকে আরও পরিণত করে তুলছে মিডিয়ায় কাজের অভিজ্ঞতা।
টুইট প্রতিবেদক: ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান নিজেকে একজন ‘মানবিক মানুষ’ হিসেবেই পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেও পরিবার, বিশেষ করে মায়ের কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা ও জীবনের মূল্যবোধ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাদিয়া জানান, তার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা তার মা। তিনি বলেন, এমন একজন মানুষ হতে চান, যার অনুপস্থিতি মানুষ অনুভব করবে। তার ভাষায়, “আমি চাই, আমি কোথাও না থাকলে মানুষ আমাকে খুঁজুক,যেমনটা আমার আম্মুর ক্ষেত্রে হয়।”
অভিনেত্রীর মতে, ধৈর্য, সহমর্মিতা ও মানুষের মন জয় করার কৌশল তিনি শিখেছেন মায়ের কাছ থেকেই। তিনি বলেন, তার দেখা সবচেয়ে ধৈর্যশীল নারী তার মা, আর সেই গুণ নিজের মধ্যেও গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন প্রতিনিয়ত।
একটি আউটডোর শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সাদিয়া জানান, টানা কাজের কারণে পুরো ইউনিট ঠিকমতো খাওয়ার সুযোগ পাননি। তখন অভিনেতা মোশাররফ করিম মজার ছলে খাবার চাইলে সেটির মধ্যেও তিনি মানবিকতার একটি দিক খুঁজে পেয়েছিলেন। তার মতে, কর্মব্যস্ততার মধ্যেও একে অন্যের খোঁজ নেওয়াই শিল্পীজীবনের বড় শক্তি।
নিজের ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন নিয়েও কথা বলেন এই অভিনেত্রী। তিনি স্বীকার করেন, একসময় তিনি অনেক বেশি অস্থির ও চঞ্চল ছিলেন। দ্রুত কথা বলা ও অধৈর্য আচরণ তার স্বভাবের অংশ ছিল। তবে মিডিয়ায় কাজ করার অভিজ্ঞতা তাকে ধীরে ধীরে আরও সংযত ও পরিণত করে তুলেছে।
সাদিয়ার ভাষায়, “আগে আমি খুব অধৈর্য ছিলাম। এখন নিজেকে অনেক নিয়ন্ত্রণ করতে শিখেছি। মিডিয়াতে কাজ করার পর আমি আরও ধৈর্যশীল হয়েছি।”
বর্তমানে একাধিক নাটক ও ওটিটি প্রকল্প নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন সাদিয়া আয়মান। অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিত্ব ও জীবনদর্শনের কারণেও তরুণ দর্শকদের কাছে আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন তিনি।






