সীমান্ত হত্যায় উত্তাল রাজপথ, জেডিপির বিক্ষোভ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় সরকারের কূটনৈতিক ভূমিকার সমালোচনা।

টুইট প্রতিবেদক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টি (জেডিপি)। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে দলটির নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি শাহবাগ হয়ে রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জেডিপি নেতারা সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরকারের কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন। নেতাকর্মীরা এ সময় সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং সরকারের পররাষ্ট্রনীতির কড়া সমালোচনা করেন।

সমাবেশে জেডিপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল আলিম বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণেই বিএসএফ বাংলাদেশিদের ওপর গুলি চালানোর সাহস পাচ্ছে।

সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধে সরকারকে দৃশ্যমান ও কঠোর কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে বলেও তিনি দাবি জানান।

জেডিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব নুরা জেরিন বলেন, দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার পরও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। তিনি অভিযোগ করেন, জনগণের নিরাপত্তার প্রশ্নে সরকারের অবস্থান দুর্বল ও নীরব।

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে জেডিপির আহ্বায়ক নাঈম আহমাদ, প্রধান সংগঠক আহছান উল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক

ইমরান হোসেন রাহাতসহ কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন। এছাড়া জাতীয় ছাত্রমঞ্চের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে জানানো হয়, শুক্রবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগর এলাকার এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মুরসালিন এবং একই ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের নবীর হোসেন বিএসএফের গুলিতে নিহত হন।

বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে সীমান্ত হত্যা বন্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।