ভবানীপুরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, এগিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রাথমিক গণনায় কখনো এগোচ্ছে তৃণমূল, কখনো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপি
টুইট ডেস্ক: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সবচেয়ে আলোচিত কেন্দ্র ভবানীপুর-এ চলছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। প্রাথমিক ভোট গণনায় কখনো এগিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল, আবার কখনো শক্ত অবস্থান নিচ্ছে বিজেপি—ফলে লড়াইটি রূপ নিয়েছে হাড্ডাহাড্ডি সংগ্রামে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী-এর চেয়ে প্রায় ৮ হাজার ভোটে এগিয়ে আছেন। তবে বিভিন্ন রাউন্ডে ব্যবধানে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে, ফলে চূড়ান্ত ফল এখনো অনিশ্চিত।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম রাউন্ডে মমতা প্রায় ১,৯৯৬ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে শুভেন্দু কিছুটা এগিয়ে যান। কিন্তু তৃতীয় রাউন্ডে আবার পাল্টে যায় পরিস্থিতি, এবং তৃণমূল নেত্রী এগিয়ে যান।
ভবানীপুরকে ঘিরে রাজনৈতিক গুরুত্ব বহু আগের। ২০১১ সালে উপনির্বাচনের মাধ্যমে প্রথম এই আসনে জয়ী হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সেখান থেকেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এরপর ২০১৬ ও ২০২১ সালেও তিনি এই আসনে জয়ী হন।
অন্যদিকে, ২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতাকে পরাজিত করা শুভেন্দু অধিকারী এবার ভবানীপুরকে কেন্দ্র করেই রাজনৈতিক লড়াইয়ে নেমেছেন।
এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় দুই শিবিরই আসনটিকে ‘প্রতীকী লড়াই’ হিসেবে দেখেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্থানীয়ভাবে একাধিক সভা, পদযাত্রা ও প্রচারণা চালিয়েছেন। অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীও কেন্দ্রটিকে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে জোর প্রচার চালিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ভবানীপুরের এই লড়াই কেবল একটি আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বরং এটি পশ্চিমবঙ্গের সামগ্রিক রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রতীকী লড়াই হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। চূড়ান্ত ফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত উত্তেজনা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।






