সমুদ্রপথে শক্ত অবস্থান ইরানের

মার্কিন অবরোধ দীর্ঘায়িত হওয়ার ইঙ্গিত, উত্তেজনা বাড়ছে উপসাগরে।

টুইট ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত জলসীমা ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ঘোষণা দিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের সমুদ্রপথে ‘শত্রুর দাপট’ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না এবং এই জলপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তেহরান দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে।

শুক্রবার এক লিখিত বিবৃতিতে তিনি বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষায় ইরান নিজস্ব সক্ষমতা ব্যবহার করবে এবং বাইরের শক্তির ‘অপব্যবহার’ প্রতিহত করবে।

তার এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন উপসাগরীয় জলসীমা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধ আরও কয়েক মাস চালু থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন, তেহরান যদি একটি প্রস্তাবিত চুক্তি মেনে না নেয়, তবে এই অবরোধ প্রত্যাহারের কোনো সম্ভাবনা নেই। তার ভাষায়, ইরানকে ‘সমঝোতায় আসতে হবে’, নচেৎ চাপ অব্যাহত থাকবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পাল্টাপাল্টি অবস্থান উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতিগুলোর জন্য সমুদ্রপথের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় যেকোনো সংঘাত বৈশ্বিক বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানায়, চলমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে।

ফলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে