জগন্নাথপুরে তরুণ মিশুকচালকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

পারিবারিক অশান্তি নাকি অন্য কারণ,তদন্তে পুলিশ, ময়নাতদন্তে পাঠানো মরদেহ।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় এক তরুণ মিশুকচালকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের আছিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রূপা মিয়া (১৯) ওই গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় মিশুকচালক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে বিকেলে বাড়িতে ফিরে অসুস্থতার কথা জানিয়ে নিজের কক্ষে বিশ্রাম নিতে যান তিনি।
পরিবারের দাবি, কিছুক্ষণ পর তার মা ফুলমালা বেগম বাইরে থেকে ফিরে ঘরে ঢুকে ছেলেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং দ্রুত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি আপাতত অপমৃত্যু হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
আত্মহত্যার পেছনে পারিবারিক বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনাটি নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তের পেছনে কী কারণ থাকতে পারে,তা নিয়ে পরিবার ও স্বজনদের পাশাপাশি এলাকাবাসীর মাঝেও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
তদন্ত শেষ হলে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।






