সহকর্মীদের গল্প-কবিতায় গড়ে উঠছে মানবিক কর্মপরিবেশ, চার মাস অন্তর প্রকাশের পরিকল্পনা

ব্র্যাক ব্যাংকের ‘কথামালা’: কর্মীদের লেখায় নতুন সৃজনযাত্রাষসহকর্মীদের গল্প-কবিতায় গড়ে উঠছে মানবিক কর্মপরিবেশ, চার মাস অন্তর প্রকাশের পরিকল্পনা
ন্তটি জেএসসি ষ্টধ্যজ্ঞ৳নিজেদের সহকর্মীদের সৃজনশীল চিন্তা ও সাহিত্যচর্চাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। ‘কথামালা’ নামে একটি ইন-হাউস সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি কর্মীদের ভাবনা, অনুভূতি ও মননশীলতাকে তুলে ধরার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
শনিবার প্রকাশিত এই সাময়িকীটি ব্যাংকিং খাতে এক অভিনব প্রয়াস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এতে সহকর্মীদের লেখা ছোটগল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, স্মৃতিকথা ও ভ্রমণকাহিনিসহ নানা সাহিত্যধারা স্থান পেয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি কেবল সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রই নয়—বরং কর্মীদের মধ্যে সৃজনশীলতা, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং মানবিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ব্যাংকটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘কথামালা’ নিয়মিতভাবে প্রতি চার মাস অন্তর প্রকাশ করা হবে। এর মাধ্যমে একটি স্থায়ী সাহিত্যিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে কর্মীরা স্বাধীনভাবে নিজেদের চিন্তা প্রকাশ করতে পারবেন।
এর আগে ব্র্যাক ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ পাঠচক্র ‘রিডিং ক্যাফে’র উদ্যোগে অমর একুশে বইমেলায় ‘প্রতিস্বর’ নামে একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়, যা পাঠকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলে। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবার সাময়িকী প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ‘কথামালা শুধু একটি সাহিত্য সাময়িকী নয়; এটি আমাদের সম্মিলিত বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার প্রতিফলন।
আমরা বিশ্বাস করি, একটি আদর্শ কর্মপরিবেশ কেবল ব্যবসায়িক সাফল্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়,সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল বিকাশও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’
তিনি আরও বলেন, কর্মীদের সাহিত্যচর্চায় উৎসাহিত করার মাধ্যমে এমন এক জনবল তৈরি করা সম্ভব, যারা পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি সমাজে মননশীল অবদান রাখতে সক্ষম হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, কর্পোরেট জগতে এ ধরনের উদ্যোগ কর্মক্ষেত্রকে আরও মানবিক ও প্রাণবন্ত করে তোলে। একই সঙ্গে এটি কর্মীদের মানসিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, যা দীর্ঘমেয়াদে প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেও অবদান রাখে।






