নেতানিয়াহু সরকারের সামনে অর্থনৈতিক ঝড়

যুদ্ধব্যয়, মুদ্রাস্ফীতি ও বিনিয়োগ সংকটে ইসরায়েলের অর্থনীতি চাপে।

টুইট প্রতিবেদক: মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের ওপর তীব্র অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

যুদ্ধ ব্যয়ের লাগামহীন বৃদ্ধি, বৈদেশিক বিনিয়োগের পতন এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যস্ফীতির উল্লম্ফন দেশটির অর্থনীতিকে এক ধরনের অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কারণে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

প্রতিরক্ষা খাতে অতিরিক্ত ব্যয় মেটাতে সরকারকে নতুন করে ঋণ নিতে হচ্ছে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভারসাম্যকে নড়বড়ে করে তুলছে। একই সঙ্গে উৎপাদন ও সেবা খাতে স্থবিরতা দেখা দেওয়ায় প্রবৃদ্ধির গতি কমে এসেছে।

বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বহু বিদেশি বিনিয়োগকারী তাদের কার্যক্রম সীমিত বা স্থগিত করছে।

ফলে কর্মসংস্থান ও শিল্প উৎপাদন উভয়ই নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়ছে।

এদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

মুদ্রাস্ফীতির চাপ সামাল দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়ানোর পথে হাঁটতে পারে,এমন আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

এতে ঋণনির্ভর খাতগুলো আরও সংকটে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং সংঘাত কমানোর উদ্যোগ না নিলে এই অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হতে পারে।

বর্তমান বাস্তবতায় ইসরায়েল সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা।