চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় সন্তুষ্ট আইকাও

চার দিনের আন্তর্জাতিক নিরীক্ষায় নিরাপত্তাব্যবস্থায় গুরুতর ত্রুটি পায়নি সংস্থাটি; স্ক্যানার, রানওয়ে ও কার্গো টার্মিনালসহ বিভিন্ন স্থাপনা যাচাই।
টুইট প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (আইকাও)। প্রথমবারের মতো বিমানবন্দরটিতে সংস্থাটির চার সদস্যের একটি দল চার দিনব্যাপী নিরাপত্তা নিরীক্ষা সম্পন্ন করেছে।
নিরীক্ষায় নিরাপত্তাব্যবস্থায় গুরুতর কোনো ত্রুটি বা পর্যবেক্ষণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন দলটির প্রধান ক্যালাম ভাইন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে নিরীক্ষা কার্যক্রম শেষ হয়। গত ১ নভেম্বর আইকাওর সর্বজনীন নিরাপত্তা নিরীক্ষা কর্মসূচির ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির আওতায় এ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
নিরীক্ষায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র ও কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন আইকাওর প্রতিনিধিরা। বিশেষভাবে যাত্রীদের বহন করা মালপত্র ও হাতব্যাগ পরীক্ষার যন্ত্র, বিস্ফোরকের অবশিষ্টাংশ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, প্রবেশপথের ধাতব শনাক্তকরণ যন্ত্র এবং হাতে ব্যবহারযোগ্য ধাতব শনাক্তকরণ যন্ত্রের কার্যকারিতা যাচাই করা হয়।
এসব যন্ত্রের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, কার্যকারিতা যাচাই এবং পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের প্রয়োজনীয় সনদও পরীক্ষা করেন নিরীক্ষকরা।
এ ছাড়া নিরাপত্তাকর্মীরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন কি না, তা পর্যবেক্ষণে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি বিমানবন্দরের রানওয়ে, পণ্য পরিবহন টার্মিনাল এবং নিরাপত্তা পাসের নীতিমালা অনুযায়ী যাত্রী ও দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার যাচাই করা হয়।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. নুর হোসেন জানান, নিরীক্ষা শেষে দলের প্রধান ক্যালাম ভাইন বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুতর কোনো পর্যবেক্ষণ পাওয়া যায়নি বলেও তিনি জানিয়েছেন।
তবে নিরীক্ষার বিস্তারিত প্রতিবেদন ও সুপারিশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তরে জমা দেওয়া হবে। সেখানে অন্যান্য পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ তুলে ধরা হবে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিরীক্ষায় সন্তোষজনক মূল্যায়ন দেশের বিমান চলাচল খাতের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে ভূমিকা রাখবে।





