দেশের সমৃদ্ধির স্বার্থেই বগুড়ার উন্নয়ন চান অধ্যাপিকা ড. হোসনে-আরা বেগম

ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, শিল্প-সম্ভাবনা ও উদ্যোক্তা সৃষ্টির সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে বগুড়াকে উন্নয়নের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান; পাঁচ জেলা নিয়ে নতুন বিভাগ গঠনসহ রেল, আকাশপথ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও শিল্প খাতে গুরুত্ব দেওয়ার দাবি।
নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশের সামগ্রিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বগুড়ার উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের (টিএমএসএস) প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপিকা ড. হোসনে-আরা বেগম।
তাঁর মতে, প্রাচীন ইতিহাস, শিল্প-ঐতিহ্য, কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি, উদ্যোক্তা তৈরির সক্ষমতা এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বগুড়া উত্তরাঞ্চলের অন্যতম সম্ভাবনাময় জনপদ। এ অঞ্চলের উন্নয়নকে অবহেলা করা হলে শুধু বগুড়া নয়, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
‘দেশের সমৃদ্ধির স্বার্থেই বগুড়ার উন্নয়ন চাই’ শীর্ষক এক লেখায় তিনি বগুড়ার ঐতিহাসিক পটভূমি, শিল্পায়নের অতীত, বর্তমান সম্ভাবনা, আঞ্চলিক উন্নয়নবৈষম্য এবং প্রস্তাবিত বগুড়া বিভাগ গঠনের যৌক্তিকতা তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় অঞ্চলভিত্তিক সম্ভাবনা বিবেচনা করে বিনিয়োগ, অবকাঠামো ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
ইতিহাস ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ বগুড়া
অধ্যাপিকা ড. হোসনে-আরা বেগমের বক্তব্য অনুযায়ী, বগুড়ার উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করতে হলে এর ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দিতে হবে। তাঁর মতে, ইতিহাস কোনো ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ কিংবা জাতিকে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎ উন্নয়নের দিকনির্দেশনা দেয়।
প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বগুড়ার মহাস্থানগড় দেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। প্রাচীনকাল থেকেই এ অঞ্চলে নগরজীবন, প্রশাসন, বাণিজ্য ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছে। মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও সেন শাসনামলসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক পর্বের সঙ্গে এ জনপদের সম্পর্ক রয়েছে।
বগুড়ার নামকরণ সম্পর্কে প্রচলিত ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের পুত্র নাসিরউদ্দিন বগরা খানের নাম থেকে বগুড়া নামের উৎপত্তি। তবে ১৮২১ সালটি বগুড়ার নামকরণের নয়, জেলা প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত। সরকারি জেলা-ইতিহাসের তথ্যেও এ পার্থক্য উল্লেখ রয়েছে।
লেখকের মতে, দীর্ঘ ঐতিহাসিক পথপরিক্রমায় বগুড়া শিক্ষা, কৃষি, বাণিজ্য ও উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সেই ঐতিহ্যকে ভিত্তি করে আধুনিক অবকাঠামো ও শিল্পায়নের মাধ্যমে এ অঞ্চলের সম্ভাবনা আরও বিকশিত করা সম্ভব।
টিএমএসএসের যাত্রা ও বগুড়ার প্রতি দায়বদ্ধতা
নিজের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে অধ্যাপিকা ড. হোসনে-আরা বেগম জানিয়েছেন, তিনি ছাত্রজীবনে উদ্ভিদবিদ্যা বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং প্রায় দেড় দশক সরকারি মহাবিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। জীবনের এক পর্যায়ে মানবসেবায় সরাসরি যুক্ত হওয়ার অঙ্গীকার থেকে তিনি টিএমএসএসের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, ১৯৬৪ সালে ভূমিহীন ও অসহায় মানুষের উদ্যোগে সংস্থাটির যাত্রা শুরু হয়। ১৯৮০ সালে তিনি এর দায়িত্ব নেওয়ার সময় সংগঠনটির সামনে ছিল সীমাহীন দারিদ্র্য, সম্পদের স্বল্পতা এবং নানা প্রতিকূলতা। তবে মানবিক অঙ্গীকার, অদম্য মনোবল ও উন্নয়নের প্রত্যয়কে পুঁজি করে সংস্থাটিকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।
বর্তমানে টিএমএসএসের কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তৃত বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতীয় পর্যায়ে সংস্থাটির কার্যক্রম ও অংশীজনদের স্বার্থ বিবেচনায় রাখা জরুরি। একই সঙ্গে নিজের জন্মভূমি বগুড়ার প্রতি ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা থেকেই এ অঞ্চলের উন্নয়নের বিষয়ে তিনি সোচ্চার।
শিল্প-ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবনের তাগিদ
বগুড়ার অতীত শিল্প-উৎপাদনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে লেখক জানান, স্বাধীনতার আগে এ অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের শিল্পকারখানা গড়ে উঠেছিল। তাঁর লেখায় কসকো সাবান, জানেসাবা সাবান, সুগন্ধি সিগারেট, কটন স্পিনিং মিলের কাপড় ও কম্বল, সিরামিক, কাচ, দিয়াশলাই, অ্যালুমিনিয়াম ও অন্যান্য ধাতব তৈজসপত্র, পোশাক এবং চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের উল্লেখ রয়েছে।
এ ছাড়া দুগ্ধজাত খাদ্য ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণেও বগুড়ার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁর দাবি, একসময় এ অঞ্চলের কিছু শিল্পপণ্য বিদেশের বাজারেও রপ্তানি হতো। এসব শিল্পের অতীত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আধুনিক প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও বাজারসংযোগের মাধ্যমে নতুন শিল্পায়নের সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে।
লেখকের মতে, বিভিন্ন সময়ে বগুড়ার শিল্প ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রত্যাশিত গুরুত্ব পায়নি। তিনি এ পরিস্থিতিকে আঞ্চলিক বৈষম্যের দৃষ্টিতে দেখেছেন। তাঁর বক্তব্য, কোনো জনপদের সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও সেখানে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত না করা হলে তার নেতিবাচক প্রভাব জাতীয় অর্থনীতিতেও পড়ে।
তবে অতীতের শিল্পকারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন সক্ষমতা, রপ্তানির পরিমাণ এবং বিভিন্ন সময়ে উন্নয়ন বরাদ্দের তুলনামূলক তথ্য দিয়ে এসব দাবি আরও বিশদভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
অঞ্চলভিত্তিক পরিকল্পনায় জাতীয় উন্নয়নের সম্ভাবনা
অধ্যাপিকা ড. হোসনে-আরা বেগমের মতে, দেশের সব অঞ্চলের উন্নয়ন একই ধরনের পরিকল্পনায় কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। যে অঞ্চলে কৃষি, শিল্প, বাণিজ্য কিংবা উদ্যোক্তা তৈরির যে সম্ভাবনা বেশি, সেই অনুযায়ী উন্নয়ন পরিকল্পনা, বরাদ্দ ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন।
তিনি মনে করেন, সম্ভাবনাময় অঞ্চলে বিনিয়োগের পাশাপাশি সরবরাহব্যবস্থা, বাজারসংযোগ, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পের সঙ্গে সংযুক্ত অন্যান্য খাতের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। এতে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে থাকা অঞ্চলগুলোও উন্নত এলাকার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ পাবে।
বগুড়ার মানুষের উদ্যোক্তা হওয়ার প্রবণতা ও কর্মদক্ষতার প্রশংসা করে লেখক বলেছেন, দেশের বিভিন্ন জেলা ঘুরে তাঁর অভিজ্ঞতায় বগুড়ার মানুষের মধ্যে উদ্যোগ গ্রহণের আগ্রহ লক্ষণীয়। এ সক্ষমতাকে কাজে লাগাতে পরিকল্পিত বিনিয়োগ, শিল্পায়ন এবং সহায়ক অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর তিনি জোর দিয়েছেন।
রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও উন্নয়ন-সহযোগিতার আহ্বান
লেখায় বগুড়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন জাতীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের কথাও তুলে ধরেছেন অধ্যাপিকা ড. হোসনে-আরা বেগম। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী বগুড়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। এ ছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্মভূমির সঙ্গে বগুড়ার সম্পর্ক উল্লেখ করে তিনি এ অঞ্চলের রাজনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও দায়িত্ব পালনের প্রশংসা করে লেখক বলেছেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা এবং দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অভিযোগ থাকা জনপদগুলোর উন্নয়নে সরকারকে সহযোগিতা করা প্রয়োজন। তাঁর মতে, দলীয় বিভাজন ও ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের সামগ্রিক কল্যাণে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও মনে করেন, বগুড়ার উন্নয়ন নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে সমালোচনা থাকলেও তা আত্মসমালোচনা ও গঠনমূলক আলোচনার অংশ হতে পারে। তবে উন্নয়ন পরিকল্পনার মূল্যায়ন হওয়া উচিত বাস্তব প্রয়োজন, সম্ভাব্য সুফল, ব্যয়, স্বচ্ছতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতার ভিত্তিতে।
পাঁচ জেলা নিয়ে বগুড়া বিভাগ গঠনের প্রস্তাব
বগুড়াকে বিভাগ ঘোষণার প্রস্তাবকে লেখায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন অধ্যাপিকা ড. হোসনে-আরা বেগম। তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী, বগুড়া, গাইবান্ধা, জয়পুরহাট, নওগাঁ ও সিরাজগঞ্জ—এই পাঁচ জেলা নিয়ে একটি নতুন বিভাগ গঠন করা যেতে পারে।
তাঁর মতে, বগুড়ার ঐতিহাসিক অবস্থান, উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ, জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং আশপাশের জেলাগুলোর সঙ্গে সংযোগ বিবেচনায় এ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। বিভাগ গঠন করা গেলে প্রশাসনিক সেবা, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আঞ্চলিকভাবে আরও সমন্বিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
বগুড়ার প্রশাসনিক ইতিহাসও এ আলোচনায় প্রাসঙ্গিক। সরকারি জেলা-ইতিহাস অনুযায়ী, ১৮২১ সালে রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুরের বিভিন্ন অংশ নিয়ে বৃহত্তর বগুড়া জেলা গঠিত হয়েছিল। লেখক এই ঐতিহাসিক পটভূমির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বগুড়ার আঞ্চলিক গুরুত্ব পুনর্মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।
২০২৬ সালের জুলাইয়ে প্রকাশিত সংবাদ
প্রতিবেদনগুলোতেও বগুড়াসহ পাঁচ জেলা নিয়ে নতুন বিভাগ গঠনের প্রস্তাব এবং এ বিষয়ে রাজনৈতিক পর্যায়ে আলোচনার তথ্য এসেছে। তবে প্রস্তাব উত্থাপন, রাজনৈতিক সমর্থন ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়গুলোকে বিভাগ গঠনের চূড়ান্ত সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখার সুযোগ নেই।
রেল, আকাশপথ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে অগ্রাধিকার
বগুড়াকে বিভাগীয় পর্যায়ে উন্নীত করার পাশাপাশি রেল ও আকাশপথে যোগাযোগ, শিক্ষা, শিল্প-সংস্কৃতি, স্বাস্থ্যসেবা, বিনোদন এবং অন্যান্য নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণের দাবি জানিয়েছেন লেখক।
তাঁর মতে, বগুড়ার উন্নয়ন শুধু একটি জেলার উন্নয়নের প্রশ্ন নয়; এটি উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানো, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পের বিকাশ এবং আশপাশের জেলাগুলোর সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ প্রতিষ্ঠারও সুযোগ। এজন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগের সমন্বয় প্রয়োজন।
তিনি মনে করেন, বগুড়ার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে উত্তরাঞ্চলে উৎপাদন, ব্যবসা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার নতুন কেন্দ্র গড়ে উঠতে পারে। এর সুফল আশপাশের জেলাগুলো ছাড়িয়ে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়বে।
উন্নয়নবৈষম্য কমিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রত্যাশা
লেখার শেষাংশে অধ্যাপিকা ড. হোসনে-আরা বেগম বগুড়ার উন্নয়নকে জাতীয় সমৃদ্ধির বৃহত্তর লক্ষ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে না দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, দেশের কোনো অঞ্চলের সম্ভাবনাকে অবহেলা না করে জনপদভিত্তিক সক্ষমতা, অর্থনৈতিক প্রয়োজন ও উন্নয়নের উপযোগিতা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি।
বগুড়ার ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, শিল্প-উৎপাদনের অভিজ্ঞতা, উদ্যোক্তা তৈরির সক্ষমতা এবং ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে এ অঞ্চলের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। তাঁর মতে, কার্যকর সরকারি সহায়তা, অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ এবং প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে বগুড়াকে উত্তরাঞ্চলের আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত করা যেতে পারে।
সূত্র: লেখক অধ্যাপিকা ড. হোসনে-আরা বেগম ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের (টিএমএসএস) প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক।






