ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ব্যবধান কমানোর লক্ষ্য বাংলাদেশের

গ্রুপ পর্বে ১৩-৪৭ গোলের বড় ব্যবধানে হারের পর শিরোপার লড়াইয়ে নামছে স্বাগতিকরা; ভারতীয় দলের দ্রুত আক্রমণ ঠেকানোই প্রধান চ্যালেঞ্জ।
টুইট প্রতিবেদক: বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশনস ট্রফির ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে একই প্রতিপক্ষের কাছে ১৩-৪৭ গোলের বড় ব্যবধানে হেরেছিল স্বাগতিকরা। সেই হারের স্মৃতি পেছনে ফেলে ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা উপহার দেওয়ার পাশাপাশি গোলের ব্যবধান কমিয়ে রাখাই এখন বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে শিরোপার লড়াই। শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে জয় পাওয়া কঠিন হলেও নিজেদের ভুল সংশোধন করে ভালো খেলার প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ দল।
ফাইনালের প্রস্তুতিতে বুধবার অনুশীলনের সময় ভারতীয় দলের দ্রুত আক্রমণ সামলানো এবং বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার কৌশলে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশের স্পেনীয় কোচ আনা আলোনসো ফ্রাগুয়া।
গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতের আক্রমণাত্মক খেলার ধরন বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে বারবার চাপে ফেলেছিল। বিশেষ করে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে একের পর এক গোল হজম করতে হয় স্বাগতিকদের। ফাইনালে এই দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠাই কোচের প্রধান লক্ষ্য।
আনা আলোনসো ফ্রাগুয়ার মতে, ভারত পুরো ৬০ মিনিট দ্রুতগতিতে খেলার সামর্থ্য রাখে। আগের ম্যাচে ভারতীয় দলের দ্রুত পাল্টা আক্রমণ ঠেকাতে পারেনি বাংলাদেশ। তাই প্রতিপক্ষকে এমন আক্রমণের সুযোগ না দেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন তিনি।
খেলোয়াড় মাসুদা আক্তারও আগের ম্যাচের ভুলগুলো সংশোধন করে ফাইনালে ভালো পারফরম্যান্সের আশাবাদ জানিয়েছেন। তাঁর মতে, খেলোয়াড়েরা নিজেদের ভুল শুধরে সেরাটা দিতে পারলে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।
ভারতের বিপক্ষে জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে বাস্তবতা মেনে নিয়েও নিজেদের সর্বোচ্চটা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন মাসুদা। তাঁর আশা, আগের ম্যাচের তুলনায় কম গোল হজম করে ব্যবধান কমিয়ে আনতে পারবে বাংলাদেশ।
এদিকে বুধবার অনুষ্ঠিত তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মালদ্বীপকে ২৭-১৫ গোলে হারিয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে নেপাল। গ্রুপ পর্বেও মালদ্বীপের বিপক্ষে ২৪-১৮ গোলে জয় পেয়েছিল দলটি।
সব মিলিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ শুধু ভারতের আক্রমণ সামলানো নয়, বরং পুরো ম্যাচে মনোযোগ ধরে রেখে রক্ষণ ও আক্রমণের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা। গ্রুপ পর্বের বড় হারের পর স্বাগতিকেরা কতটা ঘুরে দাঁড়াতে পারে, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।






