বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের ২১তম অধিনায়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

দেশমাতৃকার সেবায় কাজ করে যাওয়ার নির্দেশ সেনাপ্রধানের, পদাতিক বাহিনীর মেরুদণ্ড হিসেবে বীর ইউনিটকে গড়ে তোলার প্রত্যাশা।

রাজশাহী প্রতি‌নি‌ধি: বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টার (বিআইআরসি)-এর শহীদ নকীব হলে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট (বীর)-এর ২১তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রাজশাহী সেনানিবাসে সোমবার (২৪ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি।

সেনাবাহিনী প্রধান বিআইআরসি সম্মেলন কক্ষে পৌঁছালে তাঁকে ভারপ্রাপ্ত জিওসি, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড (আর্টডক); কমান্ড্যান্ট, বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টার; জিওসি, ১১ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, বগুড়া এরিয়া অভ্যর্থনা জানান।

সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের ২১তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বীর ইউনিটসমূহের সকল অধিনায়কের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময়কালে তিনি বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের সদস্যদের দেশমাতৃকার সেবায় দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার নির্দেশনা দেন।

সেনাবাহিনী প্রধান আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের বীর ইউনিটসমূহ ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক বাহিনীর মেরুদণ্ড হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত জিওসি, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড (আর্টডক); কমান্ড্যান্ট, ইবিআরসি; সেনাবাহিনীর এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল; সেনাবাহিনীর সামরিক সচিব; কমান্ড্যান্ট, বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টার (বিআইআরসি); জিওসি, ১১ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, বগুড়া এরিয়া; কমান্ড্যান্ট, স্কুল অব ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিক্স (এসআইঅ্যান্ডটি); সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এরিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টসমূহের অধিনায়কগণ এবং বিভিন্ন সংস্থার সেনাসদস্যরাও সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের বিভিন্ন ইউনিটের কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ ধরনের বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনের মাধ্যমে ইউনিটসমূহের পেশাগত সক্ষমতা, প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত করার পাশাপাশি দেশসেবায় দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।