মেঘলায় বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন করলেন এমপি সাচিং প্রু জেরী

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান; পর্যায়ক্রমে ৫ হাজার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণের ঘোষণা

টুইট ডেস্ক: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ বান্দরবান গড়ার প্রত্যয়ে বান্দরবানের মেঘলাস্থ লুম্বিনী লিমিটেড প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একটি ফলজ ও একটি বনজ গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন সংসদ সদস্য। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সা শৈ প্রু এবং লুম্বিনী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার শাহ মোহাম্মদ সুলতান ইকবালসহ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে বান্দরবানকে রক্ষা করতে হলে আমাদের এখনই বৃক্ষরোপণে মনোযোগী হতে হবে। পাহাড়, নদী ও বন রক্ষা করতে পারলেই আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য বান্দরবান রেখে যেতে পারব। এ কাজে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষকেও এগিয়ে আসতে হবে।”

লুম্বিনী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার শাহ মোহাম্মদ সুলতান ইকবাল জানান, প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে পর্যায়ক্রমে মেঘলা এলাকায় আরও ৫ হাজার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে। তিনি বলেন, *“পরিবেশ সংরক্ষণে করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবেই আমরা এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ভবিষ্যতেও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সা শৈ প্রু বলেন, বৃক্ষই জীবন। রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগেই একটি সবুজ ও পরিবেশবান্ধব বান্দরবান গড়ে তোলা সম্ভব।”*

বক্তারা বলেন, পাহাড় কাটা, বন উজাড় ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বান্দরবানের প্রাকৃতিক পরিবেশ নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আয়োজকদের মতে, পর্যায়ক্রমে ৫ হাজার গাছের চারা রোপণের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে মেঘলা এলাকার জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। “একটি গাছ, একটি প্রাণ”—এই বার্তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানানো হয়।