নিষেধাজ্ঞা পেরিয়ে পাকিস্তানে তুমুল আলোচনায় ‘ধুরন্ধর

নেট মাধ্যমে মুক্তির পরই দর্শকচাপে আলোচনায় রণবীর সিংয়ের স্পাই–থ্রিলার
টুইট প্রতিবেদক: ভারতীয় অভিনেতা রণবীর সিং অভিনীত আলোচিত স্পাই–থ্রিলার ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ পাকিস্তানে আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ থাকলেও দেশটির দর্শকদের আগ্রহ থামানো যায়নি। নেটমাধ্যমে মুক্তির পর থেকেই সিনেমাটি পাকিস্তানে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি উঠেছে, মুক্তির প্রথম রাতেই অতিরিক্ত দর্শকচাপের কারণে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের সেবায় সাময়িক বিঘ্নও দেখা দেয়।
গত ১৪ মে পাকিস্তানে নেটমাধ্যমভিত্তিক প্রদর্শনমাধ্যম নেটফ্লিক্সে মুক্তি পায় ‘ধুরন্ধর’-এর দ্বিতীয় কিস্তি। মুক্তির পরপরই এটি দেশটির শীর্ষ দর্শিত কনটেন্টের তালিকায় উঠে আসে বলে বিভিন্ন অনলাইন সূত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে তরুণ দর্শকদের মধ্যে সিনেমাটি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে কয়েকজন পাকিস্তানি কনটেন্ট নির্মাতা দাবি করেন, রাত ১২টা বাজতেই বিপুলসংখ্যক দর্শক একযোগে সিনেমাটি দেখতে প্রবেশ করায় প্ল্যাটফর্মে চাপ তৈরি হয়। তাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানি দর্শকের একটি অংশ সিনেমাটির মুক্তির অপেক্ষায় ছিলেন।
ফলে নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও কৌতূহল ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ছবিটি।ধুরন্ধর থ্রি নিয়ে বড় ইঙ্গিত প্রযোজকের ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ–এ ৫০০ লিটার পেট্রোল পোড়ানোর তথ্য নিয়ে আলোচনা,পাকিস্তানের পতাকা ব্যবহারে বিতর্কে পড়েছিলেন রণবীর সিং।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক বিতর্ক ও নিষেধাজ্ঞা অনেক সময় কোনো চলচ্চিত্রের প্রতি দর্শকের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দেয়। ‘ধুরন্ধর’-এর ক্ষেত্রেও সেটিই ঘটেছে।
পাকিস্তানবিরোধী উপস্থাপনা ও নিরাপত্তা–রাজনীতি ঘিরে ছবিটি শুরু থেকেই আলোচনায় ছিল। বিশেষ করে করাচির লিয়ারি অঞ্চলকে ঘিরে সিনেমার কিছু দৃশ্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিস্তর বিতর্ক তৈরি হয়।
গত ১৯ মার্চ বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাওয়া ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ বক্স অফিসেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে। এর আগের কিস্তি মুক্তির পর পাকিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে ছবিটি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
অভিযোগ ছিল, পরিচালক আদিত্য ধর পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদ সমর্থক রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।
তবে বিতর্কের মধ্যেও সিনেমাটির নির্মাণশৈলী, অ্যাকশন দৃশ্য ও রণবীর সিংয়ের অভিনয় দর্শকদের আকৃষ্ট করছে বলে মত দিচ্ছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।
পাকিস্তানে আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলেও অনলাইনমাধ্যমে ‘ধুরন্ধর’ এখন আলোচনার






