হয়রানিমুক্ত প্রশাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে হবে, ডিসিদের প্রতি তারেক রহমানের আহ্বান।
টুইট ডেস্ক: জনগণ যেন কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই সরকারি সেবা পায়, সে লক্ষ্যেই সরকার প্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহি, আন্তরিকতা ও সেবামুখী মানসিকতা নিশ্চিত করতে হবে।
বুধবার রাতে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র–এ বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মিলন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, সরকার এমন একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হবে না এবং দ্রুত সেবা পাবে। তিনি জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত চারদিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনে সরকারের লক্ষ্য, কর্মপরিকল্পনা ও জনমুখী কার্যক্রম সম্পর্কে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে জনগণ সমর্থন দিয়েছে। ফলে সেটি এখন কেবল দলের নয়, জনগণেরও ইশতেহারে পরিণত হয়েছে। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে।
তিনি জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের উদ্দেশে বলেন, সরকারি দপ্তরে সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুত, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত সেবা প্রদানে কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
তরুণ জনগোষ্ঠী প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের যুবসমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা গেলে তারাই হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। এজন্য প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উন্নয়ন ও মানবসম্পদ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার তাগিদ দেন তিনি।
রাষ্ট্র ও সমাজে ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন সরকারপ্রধান। তার ভাষ্য, পরিবারে মূল্যবোধ চর্চা শক্তিশালী হলে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক ভিত্তিও আরও সুদৃঢ় হবে।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের সঙ্গে নৈশভোজে অংশ নেন। ডিসি সম্মেলনের শেষ দিনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে মোট নয়টি কার্য অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।






