খামেনির মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা

টুইট ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসন ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে। এক বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাহাদাত বরণে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। একই সঙ্গে তার স্মরণে সাত দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। খবর এপির।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের হামলার পর খামেনি মারা গেছেন বলে দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসন ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে। এক বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
এরপর দেশটি দুজন সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। তাদের পদবী হিসেবে আয়াতুল্লাহ ব্যবহার করা হয়, শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে যার অর্থ সিনিয়র ধর্মীয় নেতা।
সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের প্রায় ৪০ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। একটি গোয়েন্দা সূত্র এবং একটি সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিবিসির অংশীদার বিসিএস নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই জানানো হয়নি। এমনকি এসব কর্মকর্তা একসঙ্গে নাকি আলাদা হামলায় নিহত হয়েছেন, সেটাও স্পষ্ট নয়।
দাবি করা হয়েছে, হামলায় নিহতদের মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও আছেন। তবে খামেনির নিহত হওয়ার খবর আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার কিংবা অস্বীকার কোনোটাই করেনি ইরান সরকার।
দাবি অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে আছেন ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপোর।






