রাজশাহীতে ডিবির ধাওয়ায় মাদকসহ গাড়ি ফেলে পালালেন মাদক সম্রাট’রা

ডিবির ধাওয়া খেয়ে নদীর ধারে প্রাইভেট কার ফেলে উধাও মাসুম-রমজান! গাড়িতে মিলল ৫২ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ, জব্দ সিলার মেশিন; মাসুমের বিরুদ্ধে রয়েছে ২২টি মাদক মামলা।
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে একটি প্রাইভেট কার থেকে ৫২ বোতল নেশাজাতীয় ব্রনকফ-সি সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহন ও বিক্রির কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার এবং একটি সিলার মেশিন জব্দ করা হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১২টা ১৫ মিনিটে মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার উপশহর এলাকায় পলাতক আসামি মাসুমের ভাড়া বাসার সামনে এ অভিযান পরিচালনা করে মহানগর ডিবি পুলিশ।
পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দামকুড়া থানার জাংগালপাড়া গ্রামের মো. আ. মান্নানের ছেলে মো. মাসুম আলী (৪৩) এবং একই গ্রামের মো. মান্নানের ছেলে মো. রমজান (৩৫)সহ আরও দুই থেকে তিনজন একটি প্রাইভেট কারে পালানোর চেষ্টা করেন।
ডিবি পুলিশ তাদের ধাওয়া করলে তারা কেশবপুর দক্ষিণপাড়া নদীর ধার এলাকায় প্রাইভেট কারটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরে গাড়িটি তল্লাশি করে ৫২ বোতল ব্রনকফ-সি সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত একটি সিলার মেশিনসহ প্রাইভেট কারটি জব্দ করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, পলাতক আসামি মাসুম একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে রাজশাহী মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানাসহ রাজশাহীর তানোর ও গোদাগাড়ী, নাটোরের বড়াইগ্রাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ এবং বগুড়ার নন্দীগ্রাম থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক ২২টি মামলা রয়েছে। এছাড়া দামকুড়া থানায় পেনাল কোড আইনে তার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা রয়েছে।
অপর পলাতক আসামি রমজানের বিরুদ্ধেও দামকুড়া থানায় পেনাল কোড আইনে একটি মামলা রয়েছে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ একটি হত্যা মামলা ও ফেনসিডিলের মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা ও পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।






