সারদায় ক্যাডেট এসআই ও সার্জেন্ট ব্যাচে আট প্রশিক্ষণার্থী পেলেন শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার

ছবি: নিজস্ব

সারদায় ২৪৬ নবীন পুলিশ কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ সমাপ্ত। বেস্ট ক্যাডেট জাহাঙ্গীর আলম, একাডেমিক ও মাঠের কার্যক্রমে শ্রেষ্ঠত্বসহ চার বিভাগে পুরস্কার।

নিজস্ব প্রতিনিধি, রাজশাহী: রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির ঐতিহাসিক প্যারেড গ্রাউন্ডে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট এবং ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (২০০৬ ব্যাচের) ছয় মাস মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে দুই ব্যাচের মোট ২৪৬ জন প্রশিক্ষণার্থী তাঁদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। প্রশিক্ষণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী আট নবীন পুলিশ কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্যারেড পরিদর্শন, অভিবাদন গ্রহণ এবং পুরস্কার বিতরণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সময় তিনি নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

ক্যাডেট এসআই ব্যাচেও চারজন সেরা

৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (২০০৬ ব্যাচ) থেকে বেস্ট ক্যাডেট নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। বেস্ট একাডেমিক হয়েছেন মো. বোরহানুল ইসলাম, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ হয়েছেন দেওয়ান গোলাম রসুল এবং বেস্ট শ্যুটার নির্বাচিত হয়েছেন মো. কামাল গণি।

সার্জেন্ট ব্যাচে চার বিভাগে শ্রেষ্ঠত্ব

২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে বেস্ট সার্জেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন মোহা. ওমর ফারুক। বেস্ট একাডেমিক হয়েছেন মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ হয়েছেন সাইফুল ইসলাম এবং বেস্ট শ্যুটার নির্বাচিত হয়েছেন মোহা. আসাদুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্যরা, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বিপিএম, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল মো. মাইনুল হাসান বিপিএম, রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. রেজাউল আলম সরকার এবং রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. আশিক সাঈদ।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি, প্রশিক্ষণার্থীদের অভিভাবক এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ব্যাচের ৮৪ জন এবং ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর ব্যাচের ১৬২ জনসহ মোট ২৪৬ জন প্রশিক্ষণার্থী তাঁদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন।

এই সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নবীন পুলিশ কর্মকর্তারা তাঁদের পেশাগত কর্মজীবনের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করলেন।