ইরানে পারমাণবিক ও স্থল হামলা নয়, জানালেন ট্রাম্প

নির্বাচনের আগে হামলা না চালানোর ইঙ্গিত মার্কিন প্রেসিডেন্টের; তবে ইরানে বড় ধরনের অ-পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।

টুইট প্রতিবেদক: ইরানে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার কিংবা স্থলসেনা পাঠানোর পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তেহরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে ওয়াশিংটনে আলোচনা চলছে। ফলে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানে তিনি কোনো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবেন না। একই সঙ্গে দেশটিতে স্থলসেনা পাঠানোর বিষয়টিও তাঁর বিবেচনায় নেই বলে জানান তিনি।

তবে ট্রাম্পের এই বক্তব্যের আগেই ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়। আলোচনায় উঠে আসে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী অ-পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের বিষয়টিও।

বড় বোমা ব্যবহারের সম্ভাবনা

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর অস্ত্রভান্ডারে থাকা সবচেয়ে শক্তিশালী অ-পারমাণবিক বোমাগুলোর একটি ইরানে ব্যবহারের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রতিটি বোমার ওজন প্রায় ১০ টন। ২০১৭ সালে আফগানিস্তানে সর্বশেষ এ ধরনের বোমা ব্যবহার করেছিল মার্কিন বাহিনী।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে এই বোমা ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্বাচনের আগে হামলা নিয়ে অনিশ্চয়তা

আলজাজিরার তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালানোর পরিকল্পনা নেই বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে ইরানের বিরুদ্ধে কী ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে এবং কখন তা কার্যকর করা হবে, সে বিষয়ে বিবেচনা চলছে।

ট্রাম্পের বক্তব্যে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার ও স্থলসেনা পাঠানোর সম্ভাবনা নাকচ করা হলেও অন্য ধরনের সামরিক হামলার সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া হয়নি। ফলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার পরবর্তী গতিপথ নির্ভর করছে ওয়াশিংটনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর।