এলপিজি নিয়ে নৈরাজ্য, তারাগঞ্জে বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ

কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ, নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪০০–৭০০ টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ, বাজার মনিটরিংয়ের আশ্বাস প্রশাসনের

নিজস্ব প্রতিনিধি, তারাগঞ্জ (রংপুর): রংপুরের তারাগঞ্জে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)। উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও খুচরা দোকানে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।

বিইআরসি নির্ধারিত ১২ কেজি বেসরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। সেই হিসাবে কোথাও কোথাও নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় ক্রেতাদের অভিযোগ, বেশি দামে বিক্রির আশায় কিছু ব্যবসায়ী সিলিন্ডার মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন। অনেক দোকানে গ্যাস কিনতে গেলে ‘গ্যাস নেই’ বলে জানানো হচ্ছে।

উপজেলার কুর্শা সদর বাজারের কয়েকজন গ্যাস ডিলারের সঙ্গে কথা হলে তারা গ্যাসের সরবরাহ না থাকার কথা জানান। তবে সরবরাহ সংকটের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তারা বিস্তারিত কিছু জানাননি।

তারাগঞ্জের বিভিন্ন বাজার ঘুরে জানা গেছে, ১২ কেজির সিলিন্ডার কোথাও ১ হাজার ৮০০ টাকা, আবার কোথাও ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে বলে ক্রেতারা জানিয়েছেন।

উপজেলার বুড়িরহাট এলাকার বাসিন্দা আলমগীর বলেন, “গতকাল একটি বসুন্ধরা সিলিন্ডার ১ হাজার ৮০০ টাকা দিয়ে কিনেছি।”

এ বিষয়ে তারাগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমাউল হুসনা বলেন, “আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি। আবারও বাজার মনিটরিং করা হবে। কেউ বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় ক্রেতাদের অভিযোগ, নির্ধারিত দামে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নিয়মিত বাজার তদারকি এবং মজুত ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিষয়ে নজরদারি প্রয়োজন।