পেশাজীবী দলের বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ রক্ষার বার্তা আরডিএ চেয়ারম্যান সুইটের

রাজশাহীতে পরিবেশ রক্ষার বার্তা। উপশহর পানির ট্যাংকি মাঠে কর্মসূচি; জিয়া আদর্শের সৈনিক হিসেবে বৃক্ষরোপণকে নাগরিক ও নৈতিক দায়িত্ব বললেন আবুল কালাম আজাদ সুইট।
রাজশাহী প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পবিত্র জুমার নামাজ শেষে নগরীর উপশহর পানির ট্যাংকি মাঠে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দল রাজশাহী জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ও রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।
এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দল রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন, উপশহর করইতলা মসজিদের খতিব রুহুল আমিন, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, মহানগর ছাত্রদলের কাফিসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক হিসেবে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা এবং সমাজ ও অর্থনীতির টেকসই উন্নয়নে বৃক্ষরোপণ আমাদের সবার নাগরিক ও নৈতিক দায়িত্ব।”
তিনি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের বিকল্প নেই। নগরায়ণের পাশাপাশি সবুজায়ন নিশ্চিত করা গেলে পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
কর্মসূচিতে উপস্থিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলও পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়নের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দল রাজশাহী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশব্যাপী আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এই কর্মসূচির আয়োজন করেছি।”
আয়োজকরা জানান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে শুধু রাজনৈতিক আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতেই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মতে, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন।







