রাজশাহী রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন শফিকুল ইসলাম

অপরাধ দমন, মামলার তদন্ত, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও জনসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি; রাজশাহী রেঞ্জের আট জেলার থানার ওসিদের মধ্যে জুলাইয়ের কর্মমূল্যায়নে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম।
নিজস্ব প্রতিবেদক: অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, মামলার তদন্ত কার্যক্রম ও জনবান্ধব পুলিশিংয়ে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাজশাহী রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন নাটোরের লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম। জুলাই ২০২৬ কর্মমূল্যায়নে রাজশাহী রেঞ্জের আওতাধীন আট জেলার থানার ওসিদের মধ্যে তিনি শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে নাটোর জেলা পুলিশ সুপারের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ওসি শফিকুল ইসলামের হাতে শ্রেষ্ঠত্বের সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখার আলমসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক আশিক সাঈদের জুলাই মাসের কর্মমূল্যায়নের ভিত্তিতে লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলামকে শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। কর্মমূল্যায়নে মামলা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অবদান, অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং থানার সামগ্রিক কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
লালপুর থানায় দায়িত্ব পালনের সময় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ, বিভিন্ন মামলার তদন্ত দ্রুত ও গুরুত্বের সঙ্গে সম্পন্ন করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যদের সমন্বিতভাবে কাজ করাকে এ স্বীকৃতির অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, থানায় সেবা নিতে আসা নাগরিকদের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণ এবং জনবান্ধব পুলিশিংয়ের মাধ্যমে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় জনগণের সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়টিও কর্মমূল্যায়নে গুরুত্ব পেয়েছে।
শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় শফিকুল ইসলাম বলেন, রাজশাহী রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ ওসির স্বীকৃতি পাওয়া তার জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। তবে এ অর্জন শুধু তার একার নয়। লালপুর থানার সব পুলিশ সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, জেলা পুলিশের দিকনির্দেশনা এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতার ফলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, এ স্বীকৃতি তাকে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে উৎসাহিত করবে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানুষকে দ্রুত ও প্রত্যাশিত পুলিশি সেবা দেওয়াকে তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করে যাবেন।
লালপুর থানার এই স্বীকৃতিতে জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, কর্মদক্ষতা ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে এ ধরনের পুরস্কার মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের আরও উৎসাহিত করবে। পাশাপাশি অপরাধ দমন ও জনসেবায় পুলিশের দায়িত্বশীলতা বাড়াতেও এ ধরনের কর্মমূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।






