জনগণ শক্তিশালী হলেই শক্তিশালী হবে রাষ্ট্র: প্রধানমন্ত্রী

রাজনৈতিক অধিকারের পাশাপাশি মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
টুইট ডেস্ক: জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক অধিকারের পাশাপাশি মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা জরুরি। দেশের উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উৎসাহিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের নীতিগত সহায়তা দেবে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি পাটকল বেসরকারি দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা গেলে রাষ্ট্রও শক্তিশালী হয়। সাধারণ মানুষকে অভাবের মধ্যে রেখে কিংবা তাদের মুখ বন্ধ করে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না।
দেশের প্রকৃত উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হলে একদিকে মানুষের কর্মসংস্থান ও জীবনের নিরাপত্তা বাড়বে, অন্যদিকে সামগ্রিক অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে।
তিনি বলেন, সরকার এমন একটি দেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে প্রত্যেক মানুষ বর্তমানে যে অবস্থায় আছেন, তার চেয়ে ভালো অবস্থানে থাকবেন। এটিই সরকারের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশীয় বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ অবশ্যই আসবে এবং সরকার তা চায়। তবে দেশের নিজস্ব বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদেরও উৎসাহিত করতে হবে। ব্যবসা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে তাদের যতটুকু নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন, সরকার তা দেবে।
সরকারের নীতির মূল উদ্দেশ্য সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবার সহযোগিতায় একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী দেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।
অনুষ্ঠানের শেষ দিকে তিনটি পাটকলের দায়িত্ব নেওয়া দুই ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো সফল হবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, বস্ত্র ও পাট সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, প্রাণ-আরএফএল গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী এবং হ্যামকো গোষ্ঠীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ টি এম মোস্তফাসহ বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন ও ইজারা নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






