পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে নিহত ২

রাজশাহী থেকে শিশুর মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে পাবনায় বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৫

টুইট ডেস্ক: পাবনার আতাইকুলায় লাশবাহী একটি অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সচালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন শিশুর মরদেহের সঙ্গে থাকা তার নানীও। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে ঢাকা–পাবনা মহাসড়কের আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—পাবনা শহরের উত্তর শালগাড়িয়া এলাকার জামাল শেখের ছেলে অ্যাম্বুলেন্সচালক রাজ শেখ (২৮) এবং সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের সলিম প্রামাণিকের স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৭)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশু কেয়া খাতুনের মরদেহ নিয়ে স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সে করে সাঁথিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে আতাইকুলার সড়াডাঙ্গী আলিম মডেল মাদরাসার সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস নামের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের তীব্রতায় অ্যাম্বুলেন্সটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই চালক রাজ শেখ ও শিশুটির নানী বুলু খাতুনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্স ও বাসে থাকা আরও পাঁচজন আহত হন।

খবর পেয়ে মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে একটি শিশুর মরদেহ নিয়ে স্বজনরা সাঁথিয়ায় ফিরছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সচালকসহ দুইজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

তিনি আরও জানান, নিহত দুইজনের মরদেহ এবং অ্যাম্বুলেন্সে থাকা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও অ্যাম্বুলেন্স জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে আইনগত কার্যক্রম চলছে।