জন্মভূমির বিপক্ষে হালান্ডের আবেগঘন লড়াই

ইংল্যান্ডে জন্ম হলেও নরওয়েকেই বেছে নেওয়ার কারণ জানালেন তারকা এই ফরোয়ার্ড।
টুইট প্রতিবেদক: বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড ও নরওয়ের লড়াই শুধু দুই দলের সেমিফাইনালে ওঠার যুদ্ধ নয়, এটি আর্লিং ব্রাউট হালান্ডের জন্য এক বিশেষ আবেগের ম্যাচও। কারণ এই ম্যাচে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো নিজের জন্মভূমি ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন নরওয়ের এই তারকা স্ট্রাইকার।
হালান্ডের জন্ম হয়েছিল ইংল্যান্ডের লিডসে, যখন তার বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ড প্রিমিয়ার লিগে লিডস ইউনাইটেডের হয়ে খেলতেন। জন্মসূত্রে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার সুযোগ থাকলেও তিনি শেষ পর্যন্ত নরওয়ের জাতীয় দলকেই বেছে নেন।
কিছুদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে হালান্ড বলেন, তিনি জীবনের মাত্র সাড়ে তিন থেকে চার বছর ইংল্যান্ডে কাটিয়েছেন, অথচ নরওয়েতে থেকেছেন অনেক বেশি সময়। তাই নরওয়ের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত তার কাছে স্বাভাবিক ছিল। একই সঙ্গে তিনি জানান, বাবা যদি ইংল্যান্ডে আরও দীর্ঘ সময় খেলতেন, তাহলে হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। তবে তিনি নিজেকে নরওয়েজিয়ান হিসেবেই গর্বের সঙ্গে পরিচয় দেন।
হালান্ডের পারিবারিক শিকড়ও নর্ডিক অঞ্চলে। তার ইংল্যান্ডে জন্ম হওয়ার একমাত্র কারণ ছিল বাবার পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ার। আলফ-ইঙ্গে হালান্ড নিজেও নরওয়ের হয়ে বিশ্বকাপ খেলেছিলেন। ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে নরওয়ের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন তিনি।
মজার বিষয় হলো, ২৮ বছর পর একই দেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে নরওয়ের জার্সিতে খেলছেন তার ছেলে আর্লিং হালান্ড। এবারের আসরে চার ম্যাচে সাত গোল করে তিনি ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের অন্যতম আলোচিত ফুটবলার হয়ে উঠেছেন।
বাংলাদেশ সময় শনিবার রাত ৩টায় মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে। ক্লাব ফুটবলে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে খেলার সুবাদে ইংল্যান্ড দলের কয়েকজন সতীর্থের বিপক্ষেও খেলবেন হালান্ড।
ফলে ম্যাচটি কেবল কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াই নয়, বরং হালান্ডের ব্যক্তিগত ইতিহাসেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে উঠতে যাচ্ছে।






